জল্পনা গত কয়েকদিনের। এবার মোদি মন্ত্রিসভায় বড়সড় রদবদল হতে চলেছে। সেটা সম্ভবত আগামী মাসের শুরুতেই। আর সমস্ত জল্পনার মধ্যে যেটা সবচেয়ে বড়, তা হল নিট কেলেঙ্কারির জেরে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে নাকি সরানো হবে তাঁর পদ থেকে। অন্যদিকে তাঁর পরিবর্তেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে নাকি নতুন শিক্ষামন্ত্রী করা হবে। তাঁর মন্ত্রকের দায়িত্ব পাবেন পীযূষ গোয়েল। যদিও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। তবে সোশাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যম, নানা সূত্রের দাবি এমনই। দাবি রয়েছে আরও অনেকগুলি পরিবর্তন নিয়েও।
সদ্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃতীয় মেয়াদের দু’বছর পূর্ণ করেছেন। বিজেপির অতীতের রীতি বলছে, মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দু’বছর পর মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়। তাছাড়া নীতীন নবীন বিজেপির সভাপতি হওয়ার পর পাঁচমাস কেটে গেলেও তাঁর নতুন ‘টিম’ তৈরি হয়নি। বিজেপি সূত্র বলছে, এবার মন্ত্রিসভার রদবদল এবং বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল দুটো হবে একে অপরের সঙ্গে সাযুজ্য বজায় রেখে। অর্থাৎ মন্ত্রিসভা থেকে কিছু মুখ আসবেন সংগঠনে। আবার মন্ত্রিসভায় কিছু নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হবে। কিছু পুরনো নেতাকে ছুটিও দিয়ে দেওয়া হতে পারে।
ধর্মেন্দ্রর শিক্ষামন্ত্রীর পদ হারানোর পাশাপাশি আরও যেসব নাম ভেসে আসছে তাঁদের মধ্যে রয়েছে নীতীন গড়করির নাম। তাঁকে পরিবহণ মন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হতে পারে। পাশাপাশি শোনা যাচ্ছে, আপ থেকে পদ্ম শিবিরে যোগ দেওয়া রাঘব চাড্ডা, প্রাক্তন আরবিআই শক্তিকান্ত দাসকে মন্ত্রীসভায় যুক্ত করা হতে পারে। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকেও দেওয়া হতে পারে বড় দায়িত্ব। সেই সঙ্গেই অনুরাগ ঠাকুরও নতুন মন্ত্রক পেতে পারে পারেন বলে গুঞ্জন। তবে, বলে রাখা ভালো, এই ধরনের গুঞ্জন সংক্রান্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মোদি সরকারের তরফে এখনও পাওয়া যায়নি। কবে নতুন মন্ত্রিসভা বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাও এখনও জানা যায়নি।