পালাবদলের পর রাজ্যে সরকারপোষিত স্কুলগুলির পরিচালন সমিতি ভেঙে দেওয়া হয়েছে। বসানো হয়েছে প্রশাসক। আর এতেই সমস্যার মুখে আংশিক সময়ের শিক্ষকরা। ১ জুলাই থেকে তাঁদের বেতন বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ, পরিচালন সমিতির মাধ্যমে নিয়োগ হওয়ায় সেই প্রক্রিয়ার দায় নিতে এবং বেতনের কাগজে সই করতে একাংশ প্রশাসক অনীহা প্রকাশ করেছেন। এর জেরে বহু স্কুলে পঠনপাঠন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হুগলির একটি স্কুলে উচ্চমাধ্যমিকের বাণিজ্য বিভাগে প্রায় ২০০ পড়ুয়া থাকলেও একজনও স্থায়ী শিক্ষক নেই। আংশিক সময়ের শিক্ষকদের উপরই নির্ভর করছে পঠনপাঠন। একই ছবি কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া ও দুই মেদিনীপুর-সহ বিভিন্ন জেলায়। শিক্ষক সংগঠনগুলির দাবি, মাত্র দুই থেকে চার হাজার টাকা পারিশ্রমিক পেলেও আংশিক সময়ের শিক্ষকরা স্থায়ী শিক্ষকদের মতোই দায়িত্ব পালন করেন। তাঁদের বেতন বন্ধ হলে অনেকেই কাজ ছেড়ে দিতে পারেন।
স্কুলশিক্ষা দপ্তরের এক কর্তা জানিয়েছেন, সরকার কোনওভাবেই স্কুলে অচলাবস্থা চায় না। সমস্যা হলে প্রশাসকদের জেলা স্কুল পরিদর্শক বা দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের পথ বের করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি স্কুল অন্তত আংশিক বেতন দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এদিকে প্রবল গরমের জেরে পড়ুয়াদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে পোস্টার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।