• ‘সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব’, ডিম ছোড়া বন্ধে রাজ্যকে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ আদালতের
    প্রতিদিন | ৩০ জুন ২০২৬
  • পালাবদলের পর রীতিমতো ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে ‘ডিম থেরাপি’। অপছন্দের নেতাকে হাতের নাগালে পেলেই ডিম ছুড়ছে উত্তেজিত জনতা। ঘটনার জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। সেই মামলায় ডিম ছোড়া বন্ধে রাজ্যকে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court)। রাজ্যের কাছে বিস্তারিত রিপোর্টও তলব করা হয়েছে। 

    শুরুটা হয়েছিল কালীঘাট তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্য়ান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে। পালাবদলের পর নিহত দলীয় কর্মীর বাড়ি যাওয়ার পথে ডিম হামলার মুখে পড়েন তিনি। সেখানে রীতিমতো হেনস্তা করা হয় তাঁকে। পোশাক ছিঁড়ে যায়, হেলমেট পরে কোনওক্রমে ঘটনাস্থল ছাড়েন তিনি। তারপর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে একই ঘটনা ঘটেছে। কোর্টে পেশের সময় সব্যসাচী দত্তের দিকেও উড়ে আসে ডিম। কালীঘাটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির ঠিক সামনে বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের উপরও ডিম হামলা হয়। এই ঘটনা নিয়ে কলকাতা আদালতে দায়ের হয় মামলা।

    মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী রাজ্যকে বলেন,  “সমাজিক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কী পদক্ষেপ নিয়েছেন? একজন দু’জনকে গ্রেপ্তার করে কী হবে?” বিচারপতি  পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সবার সুরক্ষা সুনিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।” জবাবে অ্যাডিশনাল  অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, “আমরা বলেছি কেউ নিজেদের হাতে আইন তুলবেন না।   কোনও অভিযোগ না পেলে আমরা কীভাবে পদক্ষেপ নেব?” পালটা মামলাকারীদের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  “পুলিশ এগুলো নিজেই করছে। পুলিশ মব লিঞ্চিং করছে আর জনগণ কী করবে? আজই অন্তর্বতী নির্দেশ দেওয়া হোক।  বিমানবন্দরের মতো সেন্সেটিভ জায়গাতেও এই আক্রমণ হচ্ছে।
    মন্ত্রী বলছেন ডিম ছুঁড়তে।”  সরকার কী পদক্ষেপ করেছে? সেই প্রশ্নও তোলেন কল্যাণ। দু’পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে ডিম ছোড়া বন্ধে রাজ্যকে গাইডলাইন তৈরির নির্দেশ দেয় আদালত। রাজ্যের কাছে বিস্তারিত রিপোর্টও তলব করা হয়েছে। 
  • Link to this news (প্রতিদিন)