• মন্দিরের প্রণামী বাক্স ‘দখলের চেষ্টা’র অভিযোগ, কী বলছেন বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথের স্বামী?
    প্রতিদিন | ০১ জুলাই ২০২৬
  • মন্দিরের সব প্রণামী বাক্সের টাকা গুণতে হবে বিধায়কের বাড়িতে, সেবায়েতকে এই বিষয়ে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠল অভয়ার বাবার বিরুদ্ধে। পানিহাটির একটি ২০০ বছরের পুরনো একটি মন্দিরের ঘটনা। মন্দিরের সেবাইত বঙ্কুবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথের স্বামী শেখর দেবনাথ তাঁকে এই বিষয়ে চাপ দিয়েছেন। এই সংক্রান্ত একটি অডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শেখর দেবনাথ।

    পানিহাটির শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর ওই মন্দিরটি প্রায় ২০০ বছরের পুরনো। শনিবার ঐতিহাসিক দণ্ডমহোৎসব উপলক্ষে মহোৎসবতলা ঘাটে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়েছে। ঘাট লাগোয়া এই মন্দিরে সারা বছরই বিপুল প্রণামী জমা পড়ে, উৎসবের সময় যার পরিমাণ আরও বেড়ে যায়। অভিযোগ, মহোৎসবের আগের সন্ধ্যায় কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে মন্দিরে যান শেখর দেবনাথ। মন্দির ও প্রণামী বাক্সের চাবি কার কাছে রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। জবাবে সেবাইত জানান, বংশপরম্পরায় তাঁরাই মন্দিরের পুজো ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বঙ্কুবিহারী বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, “এরপর আমাকে বলা হয়, মন্দিরের ভিতর ও বাইরের প্রণামী বাক্সে জমা টাকা বিধায়কের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণনা করা হবে। আমি আপত্তি জানিয়ে বলি, এমন সিদ্ধান্তের জন্য বিধায়কের লিখিত নির্দেশ প্রয়োজন। এরপর আর বিষয়টি এগোয়নি।” তবে এই ঘটনায় তিনি কোথাও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

    তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শেখর দেবনাথ। তিনি বলেন, “ভাইরাল হওয়া অডিওটি সম্পূর্ণ শুনলেই প্রকৃত বিষয়টি স্পষ্ট হবে। আমি মন্দিরের উন্নয়ন এবং দানের অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহারের স্বার্থে ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। প্রণামীর টাকা বিধায়কের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণনার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। অন্য কেউ এমন কথা বলে থাকলে তার দায় আমার নয়।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)