• NJP থেকে মাত্র দেড় ঘণ্টা, বর্ষায় উইকএন্ড জমিয়ে দেবে এই অফবিট ডেস্টিনেশন…
    এই সময় | ০১ জুলাই ২০২৬
  • বর্ষায় পাহাড়ে যাওয়ার নাম শুনলে অনেকেই হয়তো একটু দোটানায় থাকেন। পাহাড়ি রাস্তার নানা ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে মেঘলা দিনে অনেকেই ঘরেতে থাকতে পছন্দ করেন। কিন্তু এই চেনা অভ্যাসের বাইরে গিয়ে যদি একটু অন্যরকম স্বাদ পেতে চান, তবে ডুয়ার্সের অফবিট গ্রাম মানাবাড়ি আপনার জন্য একদম আদর্শ গন্তব্য হতে পারে। এই ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটিতে এখনও পর্যটকরা তেমন ভিড় করেননি। তাই এই বর্ষায় ঘুরে আসতে পারেন মানাবাড়ি।

    বর্ষার মরসুমে জঙ্গল, পাহাড় আর একটুকরো নিবিড় শান্তির আশ্রয় যদি আপনার মন খুঁজে বেড়ায়, তবে মানাবাড়ির চেয়ে ভালো জায়গা খুব কমই আছে। চারদিকের মেঘ-কুয়াশার লুকোচুরি আর অবিরাম বৃষ্টির শব্দ আপনার প্রতিদিনের একঘেয়ে ক্লান্তি আর স্ট্রেস এক লহমায় কর্পূরের মতো উড়িয়ে দেবে। বেসরকারি রিসর্টের জানলা বা বারান্দায় আরাম করে বসে অলস ভাবে বৃষ্টি দেখা আর সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা এক কাপ গরম চা বা কফির কাপে চুমুক দেওয়ার আনন্দই আলাদা।

    মানাবাড়ির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হলো এর ভৌগোলিক অবস্থান। এখান থেকে সামান্য এগোলেই দেখা মেলে ডুয়ার্সের দু’টি নদী ঘিস ও চেলের। রিসোর্ট থেকে মাত্র ১৫-২০ মিনিটের হাঁটা পথেই এই দুই নদীর চরে পৌঁছে যাওয়া যায়। বর্ষার নতুন জলে পুষ্ট নদীর ঠাণ্ডা স্রোতে পা ডুবিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা এক স্বর্গীয় অনুভূতি এনে দেয়। এর সঙ্গে উপড়ি পাওনা হিসেবে রয়েছে চারপাশের দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ চা বাগান। মেঘ ভাঙা কুয়াশার চাদর যখন এই সবুজ বাগানের উপর দিয়ে ভেসে যায়, তখন মনে হয় যেন কোনও দক্ষ শিল্পীর ক্যানভাসে পা রেখেছেন।

    এনজেপি থেকে গাড়িতে মাত্র দেড় ঘণ্টার পথ। গরুবাথান হয়ে সহজেই পৌঁছে যেতে পারবেন মানাবাড়ি।

  • Link to this news (এই সময়)