এই সময়: তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় কলকাতা পুরসভার তরফে জমা দেওয়া স্ট্রাকচারাল প্ল্যান খতিয়ে দেখতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞদের সাহায্য নিচ্ছে কলকাতা পুলিশ। তারাতলার গোডাউনের যে প্ল্যান পাশ হয়েছিল, তা মেনেই কি নির্মাণ হচ্ছিল, নাকি তা পরিবর্তন করা হয়— এ সব খতিয়ে দেখে তাঁরা মতামত জানাবেন। এ দিকে, এই মামলায় সিটের হাতে ধৃত কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া দু’টি মোবাইলের কল লিস্ট ও চ্যাট হিস্ট্রিও নজরে রয়েছে গোয়েন্দাদের।
গত বুধবার তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউন ভেঙে ১৬ জনের মৃত্যু হয়। বি২ ট্রান্সপোর্ট ডিপো রোডে ওই সাইটে বিল্ডিং প্ল্যান পাশ হয়েছিল কলকাতা পুরসভা থেকে। সেই নথি পেতে কলকাতা পুলিশ পুরসভাকে চিঠি দেয়। লালবাজার সূত্রে খবর, ওই চিঠির প্রেক্ষিতে পুরসভা গোডাউনের স্ট্রাকচারাল প্ল্যান জমা দিয়েছে পুলিশকে। সেটাই খতিয়ে দেখবেন যাদবপুরের বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের পরামর্শ অনুযায়ী সিট পরবর্তী পদক্ষেপ করবে। কলকাতা পুলিশের হাতে ধৃত দালাল, যিনি পুরসভা থেকে প্ল্যান পাশ করাতে সাহায্য করেছিলেন, সেই আব্দুল হামিদের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে সিট। বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হবে।
এ ছাড়া কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের তৎকালীন ওএসডি কালীচরণের বাড়ি থেকে উদ্ধার দু’টি মোবাইলের কল লিস্ট খতিয়ে দেখছে লালবাজার। কোনও চ্যাট হিস্ট্রি ডিলিট করা হয়েছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারাতলার গোডাউনের লিজ়–হোল্ডার সংস্থা ‘বেহরা ব্রার্দাস’–এর কর্তা শম্ভুনাথ বেহরার দপ্তর থেকে যে নথি উদ্ধার হয়েছে, সেটিও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।