: ফের যশোর রোডে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। দ্রুতগতির একটি লরির চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক পথচারীর। মৃতের নাম চন্দন পান্ডে (৩৬)। তিনি মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর ঘাতক লরি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের তৎপরতায় সেটি ধাওয়া করে আটক করা হয়। পরে পুলিশ লরি ও চালককে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গভীর রাতে যশোর রোডের ধারে হাঁটছিলেন চন্দন পাণ্ডে। সেই সময় বারাসাতমুখী একটি দ্রুতগতির লরি তাঁকে সজোরে ধাক্কা মেরে পিষে দেয়। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বারাসাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পর লরি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে চালক। তবে স্থানীয় মানুষ ধাওয়া করে সাহারা ব্রিজ এলাকায় গাড়িটিকে আটক করেন। অভিযোগ, এরপর উত্তেজিত জনতা লরিতে ভাঙচুর চালায় এবং চালককে মারধরের পর পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
ঘটনাটি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট ও বারাসাত পুলিশ জেলার সীমান্ত এলাকায় ঘটলেও লরিটি ধরা পড়ে মধ্যমগ্রাম ট্রাফিক এলাকার সাহারা ব্রিজের কাছে। মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ প্রথমে লরি ও চালককে আটক করে। পরে তাদের এয়ারপোর্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বারাসাত পুলিশ জেলার ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতায় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার সংখ্যা কিছুটা কমেছিল বলে পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দেয়। তবে জাতীয় সড়ক যশোর রোডে গভীর রাতের এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর ফের ট্রাফিক নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।