• রাস্তার অভাবে বিপদে-আপদে ভরসা মাটির নদীবাঁধ, মন্ত্রীর আশ্বাসে আশায় বুক বাঁধছে গোটা গ্রাম
    News18 বাংলা | ০১ জুলাই ২০২৬
  • মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থেকেও যেন এক বিচ্ছিন্ন দ্বীপ কাকদ্বীপ বিধানসভার নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গ্রাম ঈশ্বরীপুর। স্বাধীনতার এত বছর পরেও গ্রামে ঢোকার কোনও স্থায়ী পাকা রাস্তা নেই। ভরসা মাটির নদীবাঁধ। এবার সেই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস মিলেছে। কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে গ্রামে ঢুকতে পারে না অ্যাম্বুলেন্স। রোগীকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে চরম হয়রানির শিকার হতে হয় পরিবারকে।

    তবে রাজ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই দীর্ঘ যন্ত্রণা থেকে মুক্তির আশায় নতুন করে বুক বাঁধছেন ঈশ্বরীপুর গ্রামের মানুষজন।  গ্রামবাসীরা জানাচ্ছেন, গ্রামে যাতায়াতের জন্য হাতানিয়া-দোয়ানিয়া নদীতে খেয়া পার হয়ে দ্বারিকনগর দিয়ে নামখানা বাজারে যেতে হয়। অন্যথায় যাতায়াতের একমাত্র ভরসা সেই ভাঙাচোরা মাটির নদীবাঁধ। প্রায় ৩৫ বছর আগে নদীবাঁধের ওপর দিয়ে ইট পেতে একটি রাস্তা তৈরি করা হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে সেই রাস্তার কঙ্কালসার দশা।

    বর্ষাকাল এলেই এই কাঁচা কাদামাটির রাস্তার পরিস্থিতি রীতিমত ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এর পাশাপাশি, প্রতিটি প্রাকৃতিক বিপর্যয়েও চরম ক্ষতির মুখে পড়ে এই প্রত্যন্ত গ্রামটি। পালাবদলের পর ঈশ্বরীপুর গ্রামে নতুন করে আশার আলো দেখা দিয়েছে। কাকদ্বীপের বিধায়ক তথা রাজ্যের নবনিযুক্ত সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী দীপঙ্কর জানা ইতিমধ্যেই গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করেছেন যে, আগের সরকারের আমলের এই বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে বর্তমান সরকারই তাঁদের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করবে।

    মন্ত্রীর আশ্বাসের পর গ্রামবাসীদের এখন একটাই  দাবি, গ্রামে যাতায়াতের জন্য একটি স্থায়ী পাকা রাস্তা এবং নদীভাঙন ঠেকাতে কংক্রিটের পাকাপোক্ত নদীবাঁধ নির্মাণ করা হোক। এই আশ্বাসের পর গ্রামবাসীরা অনেকটাই খুশি। তাদের এখন দাবি একটা,ই সারানো হোক নদীবাঁধ ও তার ওপরের রাস্তা। আপাতত এই একটাই বিষয় তাদের চাওয়ার। এই কাজ সত্যি শুরু হলে গ্রামবাসীরা উপকৃত হবেন। আর সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা।
  • Link to this news (News18 বাংলা)