• আর কোনও স্কিমের জন্য ফর্ম ফিলআপ নয়, অন্নপূর্ণার ১২ পাতার ফর্ম বিতর্কে স্পষ্ট করলেন শুভেন্দু
    আজ তক | ০১ জুলাই ২০২৬
  • বুধবার, ১ জুলাই রাজ্যের প্রায় ১.১০ কোটি মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম থেকে ৩০০০ টাকা সরাসরি মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হল। এই কিস্তি পাঠানোর পরেই মহিলাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, অগাস্ট মাস পর্যন্ত এই যোজনায় মহিলারা আবেদন করতে পারবেন। তাঁদের মধ্যে যারা যোগ্য তাঁরা প্রত্যেকে টাকা পাবেন।

    ১২ পাতার ফর্ম নিয়ে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিলআপ-এর সময় অফলাইনের ক্ষেত্রে ১২ পাতার একটি ফর্ম ফিলআপ করতে হয়েছিল আবেদনকারীদের। সেই ১২ পৃষ্ঠার ফর্ম নিয়ে সমালোচনা কম হয়নি। বিষয়টি যে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "১২ পাতার ফর্ম নিয়ে সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু আসলে ৪টি পৃষ্ঠাই ফিলআপ করার দরকার ছিল। আর একবার যখন এই ফর্ম ফিলআপ করে দিলেন, পোর্টালে সব তথ্য আপলোড হয়ে গিয়েছে, এবার শুধু এই স্কিম না। ভারত সরকার-পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অসংখ্য স্কিমে এবার আপনারা সুবিধা পাবে। আর ফর্ম ফিলআপ করতে হবে না।"

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই স্কিম আগের সরকার মহিলাদের ৫০০ টাকা করে দেওয়ার জন্য চালু করেছিল, কিন্তু প্রায় ১০ লক্ষ পুরুষের অ্যাকাউন্টেও এই টাকা যেত, ভারতীয় নন এমন ব্যক্তিদের অ্যাকাউন্টেও এই টাকা যেত। আর সেই কারণেই ঝাড়াই-বাছাই করার প্রয়োজন ছিল বলে জানান শুভেন্দু অধিকারী।

    এদিন কত মহিলা টাকা পেলেন?

    শুভেন্দু অধিকারী জানান, 'আজ ১ কোটি ৯ লক্ষের অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা পাঠানো হয়েছে। টাকা আজ বিকেলের মধ্যেই পেয়ে যাবেন।' এরইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'দেখতে হবে নিয়মের বাইরে যেন কেউ টাকা না পান। আবেদনকারীদের মধ্যে ১ কোটি ৩০ লক্ষ মহিলা যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন। ২৬ লক্ষের আবেদন বাতিল করা হয়েছে।'

    কোনও পক্ষপাত করা হয়নি, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    অন্নপূর্ণা যোজনার টাকার ক্ষেত্রে যে কোনও পক্ষপাত করা হয়নি, তাও এদিন স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, শুধুমাত্র সমতল নয়, পাহাড়ি এলাকার নেপালি ও গোর্খা সম্প্রদায়ের যোগ্য উপভোক্তারাও এই প্রকল্পের আওতায় টাকা পেয়েছেন। তাঁর কথায়, "সরকারের টাকা প্রকৃত যোগ্য ব্যক্তিরাই পাবেন, এটাই আমাদের লক্ষ্য। কোনও পক্ষপাত করা হয়নি।"

     
  • Link to this news (আজ তক)