যেদিকেই তাকাচ্ছি, দেখছি কেবল ধ্বংসলীলা: মুখ্যমন্ত্রী
বর্তমান | ০২ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: প্রয়াত জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর বলেছিলেন, যেখানেই আমি কিছু শুরু করতে যাচ্ছি, দেখছি ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় কাজ শুরু করে দিয়ে গিয়েছেন। আর আজকের মুখ্যমন্ত্রী অকপটে বলতে পারেন, যেখানেই তাকাচ্ছি, ধ্বংসলীলা দেখতে পাচ্ছি! পূর্বতন সরকারের দুর্নীতি ও অপশাসনকে কটাক্ষ করে এদিন চিকিৎসক দিবসের এক অনুষ্ঠানে আক্ষেপ করে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি আশাবাদী সুরও ছিল তাঁর গলায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই দুই ভিন্ন মতের মধ্যেই আমাকে এগিয়ে যেতে হবে। এই জায়গা থেকেই বের করে আনতে হবে রাজ্যকে।
এদিন সুকুমার মুখোপাধ্যায়সহ রাজ্যের কয়েকজন প্রবীণ ও স্বনামধন্য চিকিৎসককে সম্মানিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার সল্টলেকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডাঃ মুখোপাধ্যায়, ডাঃ সুবীর চ্যাটার্জি, ডাঃ গীতা গাঙ্গুলি মুখোপাধ্যায় ও ডাঃ শান্তা দত্তকে সংবর্ধনা দেন তিনি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে তাঁর পরামর্শ, স্বাস্থ্যদপ্তরের উন্নতিসাধনে প্রবীণ ফিজিশিয়ান সুকুমারবাবুর পরামর্শ নিতে হবে। এদিন বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালের নতুন নামকরণ হয়েছে ডাঃ বিধানচন্দ্র রায় মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল।
এদিন কলকাতা মেডিকেল কলেজ, রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অব অফথালমোলজি, বিধান শিশু উদ্যান, বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার, আইএমএ রাজ্য এবং কলকাতা শাখাসহ অসংখ্য জায়গায় চিকিৎসক দিবসের অনুষ্ঠান হয়। রবীন্দ্রসদনে রাষ্ট্রবাদী চিকিৎসক সংগঠন ন্যাশনাল মেডিকোজ অর্গানাইজেশন (দক্ষিণবঙ্গ) আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ ইন্দ্রনীল খান প্রমুখ। বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে লিভার ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে সংগঠনের মুখ্য উপদেষ্টা ডাঃ অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, সোনারপুরে আমরা স্বাস্থ্যবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করার পরিকল্পনা নিয়েছি।