• ‘২৫০ টাকা দিয়ে অন্নপূর্ণার ফর্ম পূরণ করা সার্থক হল!’ টাকা ঢোকার মেসেজে খুশির জোয়ার
    বর্তমান | ০২ জুলাই ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সামাজিক মাধ্যমে সকাল থেকে একটাই প্রশ্ন ঘুরছে, ‘অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা কি এল?’ এই প্রশ্নের সঙ্গেই আবার কেউ কেউ মিশিয়ে দিচ্ছেন কটাক্ষের সুর। বিকাল গড়াতেই শপিং মলের কর্মচারী থেকে রিকশস্ট্যান্ড সর্বত্র চর্চাটা যেন আরও কয়েক গুন বেড়ে গেল! কথা হচ্ছিল হাইল্যান্ড পার্ক রিকশ স্ট্যান্ডের কয়েকজন চালকের সঙ্গে। তার মধ্যেই ফোনে বাংলা লেখায় মেসেজ এল একজনের ফোনে। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘অন্নপূর্ণা যোজনার অধীনে আপনার প্রাপ্য অর্থ ৩০০০ টাকা প্রদান করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার।’ মেসেজ প্রেরকের জায়গায় লেখা ‘ডব্লুবি গভর্নমেন্ট’। এই মেসেজ পেয়েই হাসি ফুটে উঠল তাঁর মুখে। বলে উঠলেন, ‘২৫০ টাকা দিয়ে ফর্ম পূরণ তাহলে সার্থক হল।’

    কিন্তু পুরুষ রিকশ চালকের ফোনে মেসেজ এল কেন? ওই ব্যক্তির কথায়, ‘ব্যাংকে স্ত্রীর ফোন নম্বর দেওয়া রয়েছে। ফর্ম পূরণের সময় আমার ফোন নম্বর ছিল। তাই এই মেসেজটা আমার ফোনেই এসেছে। ব্যাংক অ্যকাউন্টে টাকা ঢোকার মেসেজ নিশ্চয়ই স্ত্রীর ফোনেই আসবে।’ আবার অনেকের জিজ্ঞাসা, ‘এই মেসেজ আসা মানেই কি ব্যাংকে টাকা ঢুকে গিয়েছে?’ পাশ থেকে একজন বললেন, ‘ব্যাংকের ব্যালেন্স চেক করেছি। টাকা এসেছে।’ শহিদ স্মৃতি কলোনির বাসিন্দা পেশায় রিকশ চালক ষষ্ঠী বলছিলেন, ‘আমাদের পাড়ায় ২৫০ টাকা দিয়ে অন্নপূর্ণার ফর্ম পূরণ করেছিলাম। পুরোটাই অনলাইনে কম্পিউটারে করেছিল। বিজেপি সরকার আসার পর এই প্রথম টাকা পেলাম। তার আগে তো লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকাও আসেনি। টাকা খরচটা সার্থক হল।’ আনুষ্ঠানিকভাবে বুধবার এই প্রকল্প শুরু হতেই টাকা ঢুকল কি না, তা নিয়ে সর্বত্র চর্চা শুরু হয়। ফর্মের বহর দেখে যাঁরা তা পূরণ করার দিকে এগননি, এদিন সেই সব মহিলার কণ্ঠে আপশোসের সুরও শোনা গিয়েছে।  নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)