• ‘মেসির বেলায় ছাড়, আর বালাগানের বেলায়...’ FIFA-র বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ
    এই সময় | ০২ জুলাই ২০২৬
  • ফের চর্চায় বিশ্বকাপের রেফারিং। আর এ বার এখানে যুক্ত হয়ে গেল লিওনেল মেসির নাম। আমেরিকা বনাম বসনিয়া ও হার্জ়েগোভিনা ম্যাচে আমেরিকার স্ট্রাইকার ফেলারিন বালোগানের লাল কার্ড নিয়ে রেফারির বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন নেটিজ়েনরা। শেষ ৩২-এর ম্যাচে আমেরিকা ২-০ গোলে জিতলেও তারা ম্যাচের ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় ১০ জনে খেলে।

    রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার তারিক মুহারেমোভিচের ডান গোড়ালিতে স্টাডস লাগিয়ে ফেলেন বালোগানে। প্রথমে ব্রাজ়িলিয়ান রেফারি রাফায়েল ক্লাউস কোনও কার্ড দেখাননি। তবে VAR চেক করে তিনি সিদ্ধান্ত বদলে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। ফলে ম্যাচের শেষ প্রায় আধঘণ্টা ১০ জন নিয়েই খেলতে হয় আমেরিকাকে।

    এই সিদ্ধান্তের পরই নতুন করে আলোচনায় আসে গ্রুপপর্বে আর্জেন্তিনা বনাম আলজিরিয়া ম্যাচের একটি ছবি। যেখানে মেসি আলজিরিয়ার আইসা মান্দির থেকে বল কাড়তে গিয়ে বুটের স্টাডস প্রতিপক্ষের পায়ের পেছনে লাগা এবং এর ফলে পড়ে যায় আইসা। পোলিশ রেফারি শিমন মারচিনিয়াক তখন ফাউলের বাঁশি বাজালেও কোনও হলুদ কার্ড দেখাননি। VAR চেক করার প্রয়োজন মনে করেননি তিনি।

    দুই ঘটনার তুলনা টেনে অনেক ফুটবলপ্রেমীর দাবি, প্রায় একই ধরনের ট্যাকলের ক্ষেত্রে দুই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে FIFA-র রেফারিংয়ে ধারাবাহিকতার অভাব এবং ‘ডাবল স্ট্যান্ডার্ড’ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

    ম্যাচ শেষে বালাগানের লাল কার্ডের তীব্র সমালোচনা করেন আমেরিকার প্রধান কোচ মরিসিও পোচেত্তিনো। তাঁর মতে, ঘটনাটি ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। তিনি বলেন, ‘এটি কখনই লাল কার্ড হওয়ার মতো ঘটনা নয়। প্রতিপক্ষকে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য বালোগানের ছিল না। বলের জন্য লড়াই করতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তাঁর পা প্রতিপক্ষের ওপর পড়ে গিয়েছে। ফুটবলে এমন পরিস্থিতি ঘটতেই পারে।’

    তবে আমেরিকার আপত্তি সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে। ফলে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার কারণে শেষ ষোলোর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে খেলতে পারবেন না বালাগানে।
  • Link to this news (এই সময়)