: এক লুটেই অ্যাকশন মোডে এবার পুলিশ! সোনার দোকান বাঁচাতে নতুন ঢাল? সোনার দোকানে এই সিস্টেম বসালে কিছুটা হলেও চুরির হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন মালিকরা। সম্প্রতি শিলিগুড়ির বড় একটি সোনার দোকানে লুটের পর কড়া পদক্ষেপ জলপাইগুড়ি পুলিশের। শিলিগুড়ির সেবক রোডে দুঃসাহসিক সোনার দোকান লুটের ঘটনার পরই যেন নড়ে চড়ে বসেছে জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ। একই ধরনের ঘটনা যাতে শহরে না ঘটে, সেই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা খতিয়ে দেখার অভিযান।
এদিন জলপাইগুড়ি শহরের একাধিক সোনার দোকানে হানা দেয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। শহরের ব্যস্ত এলাকা ডিবিসি রোড, কদমতলা ও থানামোড় সংলগ্ন সোনার দোকানগুলোতে গিয়ে সরেজমিনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরীক্ষা করেন পুলিশ আধিকারিকরা। দোকানগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরার সংখ্যা, কার্যক্ষমতা এবং ফুটেজ সংরক্ষণের সময়সীমা সমস্ত কিছুই খুঁটিয়ে দেখা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অনেক দোকানেই পর্যাপ্ত ক্যামেরা নেই বা ক্যামেরার কভারেজ অসম্পূর্ণ। সেই কারণেই বেশ কিছু ব্যবসায়ীকে ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ আরও দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষণ করার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে, যাতে প্রয়োজনে তদন্তে সুবিধা হয়। প্রযুক্তিগত নজরদারির সঙ্গে দোকান মালিক ও ম্যানেজারদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা করে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নানা পরামর্শ দেন পুলিশ আধিকারিকরা। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পুলিশকে খবর দেওয়া, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের উপর নজর রাখা এই বিষয়গুলিও গুরুত্ব দিয়ে বোঝানো হয় ব্যবসায়ীদের।
প্রসঙ্গত, শিলিগুড়ির সাম্প্রতিক লুটের ঘটনায় দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জলপাইগুড়িতে এই অভিযান চালানো হচ্ছে বলেই পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। পুলিশের এহেন তৎপরতায় খুশি সোনা ব্যবসায়ীরা। তাঁদের কথায়, এমন উদ্যোগ নিয়মিত হলে অপরাধ অনেকটাই রোখা সম্ভব হবে । পুলিশ প্রশাসনের পরামর্শ মতো তাই এখন থেকেই প্রযুক্তিগত সিস্টেমের দিকেই ভরসা রাখছেন ডোবা ব্যবসায়ীরা।