নিজস্ব প্রতিনিধি কলকাতা: ক্ষমতায় আসার পর নতুন সরকার স্বাস্থ্যদপ্তরে মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং শুরু করার লক্ষ্য নিয়েছিল। উদ্দেশ্য একটাই, স্বাস্থ্য প্রশাসনে সিনিয়র রেসিডেন্টদের পোস্টিং দেওয়ার নামে দুর্নীতি এবং স্বজনপোষণ বন্ধ করা। যাঁর যেমন মেধা, তাকে গুরুত্ব দিয়ে মেরিট লিস্ট অনুযায়ী রাজ্যজুড়ে এমডি, এমএস পাশ করা চিকিৎসকদের স্বাস্থ্যদপ্তরের বন্ড পোস্টিংয়ে নিয়োজিত করা। স্নাতকোত্তর পাশ এইসব ছাত্রছাত্রীদের পরপর দুদিন কাউন্সেলিংয়ের বৃহস্পতিবার ছিল দ্বিতীয় দিন। তাঁদের একাংশের অভিযোগ, মুখ দেখে পোস্টিং বন্ধ করতে নতুন সরকার ১১ জুন নির্দেশনামা প্রকাশ করে। কিন্তু এবারের কাউন্সেলিংয়ে নির্দেশনামার নিয়মই মানা হচ্ছে না। মেরিট লিস্ট, ভেকেন্সি লিস্ট কোনো কিছুই প্রকাশ করা হয়নি।
তাহলে স্বচ্ছতা কোথায় রইল? কলকাতার বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে একবছরের এসআর-শিপ সম্পূর্ণ করা চিকিৎসকদের পরবর্তী দুবছরের জন্য অন্যত্র পাঠানো হয়নি। সে-কারণে এবারের কাউন্সেলিংয়ে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীরা ওইসব আসনে নিয়োজিত হতে পারছেন না। ১০০ পয়েন্ট রোস্টার কীভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, তাও পরিষ্কার নয়। বিশেষত প্রি এবং প্যারাক্লিনিক্যাল বিভিন্ন বিষয়ের স্পেশালিস্টরা পড়েছেন মহাসংকটে। যে পরিবর্তনের জন্য নতুন নির্দেশনামা জারি করা হয়েছিল, তার কী হল তাহলে? বিষয়টি মোটামুটি একই রয়ে গেল যে! এমনই অভিযোগ করছেন তাঁরা। রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার বলেন, এমন হওয়ার কথা নয়। খোঁজখবর নিচ্ছি।