• ভারত থেকে বিপুল আয় ট্রাম্পের সংস্থার, গুরুগ্রাম যেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের টাকার খনি!
    প্রতিদিন | ০৩ জুলাই ২০২৬
  • প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর পরিবারের সম্পত্তি। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে আমেরিকার অন্দরে। এই ডামাডোলের মাঝেই সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। যেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম্পের এই ‘কুবেরের ধনে’ বিরাট যোগদান রয়েছে ভারতের। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প পরিবারের কোষাগারে শুধুমাত্র ভারত থেকে গিয়েছে ১০ মিলিয়ন ডলার।

    ২০২৫ অর্থবর্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়ের যে খতিয়ান সামনে এসেছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, এই সময়কালে ট্রাম্প আয় করেছেন ২.৩ বিলিয়ন ডলার। যার মধ্যে ৫৮ মিলিয়ন ডলার লাইসেন্সের ফি বাবদ আয় করেছেন। এই পদ্ধতিতে ডেভলপাররা অর্থের বিনিময়ে কোনও বিলাসবহুল আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবনের প্রকল্পে ট্রাম্পের নাম ব্যবহারের সুযোগ পান। ভারত-সহ বিশ্বের বহু দেশে এই চুক্তির মাধ্যমে চলছে ট্রাম্পের প্রকল্প। সেখান থেকেই আয় করছেন ট্রাম্প ও তাঁর পরিবার। সেই হিসেবে ভারতের মোট ৬টি শহর থেকে সবচেয়ে বেশি অর্থ আয় করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেগুলি হল, গুরুগ্রাম থেকে ৩.৬ মিলিয়ন ডলার, দিল্লি থেকে ১.৮ মিলিয়ন ডলার, হায়দরাবাদ থেকে ১.৫ মিলিয়ন ডলার, নয়ডা থেকে ১.৫ মিলিয়ন ডলার, পুনে থেকে ১.৫ মিলিয়ন ডলার এবং মুম্বই থেকে ১৮০,৮৫০ ডলার। অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে গুরুগ্রাম থেকে।

    শুধু ভারত নয় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, আবাসন ব্যবসায় ট্রাম্পের আয়ের সবচেয়ে বড় অংশটা এসেছে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। দুবাই থেকে তাঁর আয় ১১.৭ মিলিয়ন ডলার, আবুধাবি থেকে আয় ১০ মিলিয়ন ডলার, সৌদি আরব থেকে ৯.২ মিলিয়ন ডলার, এবং কাতারের দোহা থেকে ট্রাম্প পরিবারের আয় ৫.২৫ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া, লাইসেন্স চুক্তির মাধ্যমে ভিয়েতনাম, রোমানিয়া, তুরস্ক এবং ইন্দোনেশিয়া থেকেও বিপুল আয় করেছে ট্রাম্পের সংস্থা।

    আবাসন ব্যবসার পাশাপাশি ক্রিপ্টো ব্যবসা থেকেও বিপুল আয় করেছে ট্রাম্প পরিবার। ২০২৫ সালে এই ব্যবসা থেকে তাঁদের আয় ১.৪ বিলিয়ন ডলার। রিপোর্ট বলছে, প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর ক্রিপ্টো সংক্রান্ত বিষয়ে ট্রাম্পের নীতিই এই আয় বৃদ্ধির মূল কারণ। ট্রাম্পের পুত্রের ক্রিপ্টো সংস্থা ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিনান্সিয়াল, ৮০০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এর মধ্যে ক্রিপ্টো টোকেন বিক্রি থেকে ৫২০ মিলিয়ন ডলার এবং ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ব্যবসায় অংশীদারিত্ব বিক্রি করে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি এসেছে। এছাড়া ট্রাম্প নিজের মিম কয়েন বিক্রি করে ৬৩৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। এছাড়াও ট্রাম্পের পুরনো গলফ ও রিসর্ট ব্যবসা থেকেও ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যার গত বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি।
  • Link to this news (প্রতিদিন)