পুরসভার অফিসে বস্তাবন্দি ফর্ম, ডায়মন্ড হারবারে অন্নপূর্ণার টাকা পেলেন না হাজার হাজার মহিলা!
প্রতিদিন | ০৩ জুলাই ২০২৬
অফলাইনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলাপ করেছিলেন। কিন্তু ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা ঢোকেনি! অভিযোগ, অফলাইনে পূরণ করা ওইসব ফর্ম বস্তাবন্দি করে রাখা হয়েছিল, সেগুলি আপলোড করা হয়নি। ফলে হাজার হাজার মহিলা প্রথম মাসেই টাকা পেলেন না! ঘটনাটি ঘটেছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার পুরসভায়। কুলপি ব্লকের কয়েক হাজার মহিলাও একইভাবে এই প্রকল্পের টাকা পাননি বলে অভিযোগ। বিজেপির তরফে অভিযোগ, পুরসভার কর্মীরা ফর্ম আপলোডের কাজে যুক্ত। ওইসব কর্মীদের অনেকেই সিপিএম, তৃণমূলের কর্মী। তাঁরাই ফর্ম আপলোড করেনি বলে এই সমস্যা বলে অভিযোগ।
ভোটের প্রচারেই বিজেপি জানিয়েছিল রাজ্যে ক্ষমতায় এলে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পরে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু হয়েছে। মহিলারা টাকা পেতেও শুরু করেছেন। তবে ডায়মন্ড হারবারে পুরসভার কয়েক হাজার মহিলা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের প্রথম মাসের জুনের টাকা পাননি বলে অভিযোগ। ওই পুরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের কয়েক হাজার মহিলা ওই টাকা পাননি বলে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। কুলপি ব্লকের কয়েক হাজার মহিলাও ওই টাকা পাননি! জানা গিয়েছে, তাঁরা প্রত্যেকে অফলাইনে ফর্মফিলাপ করে জমা দিয়েছিলেন।
কিন্তু কেন তাঁরা টাকা পেলেন না! অভিযোগ, তাঁদের ফর্ম সার্ভারে আপলোড করা হয়নি। কিন্তু কেন? বিজেপির তরফে অভিযোগ, পুরসভার কর্মীদের ওই ফর্ম আপলোড করার কাজ ছিল। কিন্তু সিপিএম ও তৃণমূল করা ওইসব লোকজন সেই কাজ না করে ফেলে রেখেছিল! সেজন্য এই সমস্যা। বিজেপি নেতা আকাশ সরকারের অভিযোগ, ওইসব ফর্ম বস্তাবন্দি করে রাখা হয়েছিল। আপলোড না হওয়াতেই এমন সমস্যা। ফের নতুন করে অললাইনে ওই মহিলাদের জন্য ফর্মফিলাপ করা শুরু হয়েছে। পুরসভাতেই এই ফর্মফিলাপ চলছে। কয়েক হাজার গ্রাহক এদিন পুরসভায় ভিড় করেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, একেবারেই অনলাইনে ফর্মফিলাপের কথা বলা যেত।তাহলে এত হয়রানি শিকার হতে হত না। রোদ-বৃষ্টিতে নাস্তানাবুদ হতে হচ্ছে। কিন্তু জুনের টাকা কীভাবে পাবেন? সেই প্রশ্ন থাকছেই।