পুণে হত্যাকাণ্ডে ১৪ দিনের জেল হেফাজত সিয়া ও প্রেমিকের, রেগে মিডিয়াকে দেখালেন মধ্যমা!
প্রতিদিন | ০৪ জুলাই ২০২৬
পুণে হত্যাকাণ্ডের দুই অভিযুক্তকে সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরিকে জেল হেফাজতে পাঠাল আদালত। ১৪ দিনের জন্য দু’জনকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে পুণের আদালত। তার আগে পুলিশ তাঁকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এলে বেরনোর সময় বাইরে জমায়েত সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে মধ্যমা দেখালেন সিয়া। যা প্রচলিত একটি অশ্লীল ভঙ্গিমা।
১৭ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে পুলিশের সঙ্গে নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছেন সিয়া। তদন্তের জন্য তাঁকে সেখানে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সিয়ার পরনে ছিল কালো টি-শার্ট। মুখ ঢাকা ছিল ওড়নায়। চিত্রসাংবাদিকরা তাঁর ছবি তোলার চেষ্টা করছেন দেখতে পেয়েই তাঁদের মধ্যমা দেখান সিয়া।
সিয়াদের পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অভিযুক্ত দু’জনকে প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এ এম বিভূতের সামনে হাজির করা হয়। সরকারি পক্ষের কৌঁসুলি পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ আরও তিন দিন বাড়ানোর আবেদন জানান। তাঁরা যুক্তি দেন যে, দুই অভিযুক্তর মোবাইল ফোনে সাংকেতিক ভাষায় যে কথোপকথন রয়েছে তার অর্থ উদ্ধারের জন্য তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি ওই দু’জনের আইনজীবীর আবেদন ছিল, ইতিমধ্যেই তাঁর মক্কেলদের অনেকটা সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এবার জেল হেফাজতে পাঠানো হোক। শেষপর্যন্ত তাঁর আবেদনেই সাড়া দেন বিচারক।
প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারিতে বাগদান সেরেছিলেন সিয়া ও কেতন। জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে তাঁদের বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু প্রাথমিকভাবে মত দিলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। সেকথা হবু স্বামীকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সিয়ার দাবি, পরিবারের এতটাই চাপ ছিল যে বিয়ে বাতিলের সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তাই কেতনকে হত্যা করার পথ বেছে নেন। প্রায় একমাস ধরে পরিকল্পনা করে কেতনকে হত্যা করেন সিয়া, অভিযোগ তেমনই। আর এই কাজে তাঁকে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক চেতনের বিরুদ্ধে। দু’জনকে গ্রেপ্তার করার পর থেকেই চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। সেই সঙ্গে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে সবটা খুঁটিয়ে জানার চেষ্টাও হচ্ছে।