• নির্বাচনে সুপ্রিম হস্তক্ষেপ চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি ইন্ডিয়া জোটের! বিজেপি বলছে, ‘গণতন্ত্রকে অস্বীকারের চেষ্টা’
    প্রতিদিন | ০৪ জুলাই ২০২৬
  • গত ৬ জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকেই ঠিক হয়েছিল ভোট প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা এবং ভ্রান্ত SIR নিয়ে খোদ প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেওয়া হবে। শুক্রবার সেই চিঠির বয়ান প্রকাশ্যে এনেছে ইন্ডিয়া জোট। সেই বয়ান রীতিমতো বিস্ফোরক। ওই চিঠিতে শুধু যে দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে নানাবিধ অভিযোগ রয়েছে, তাই নয়। সেই সঙ্গে বেনজিরভাবে সরাসরি নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিচারব্যবস্থার হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে। ওই চিঠি প্রকাশ্যে আসার পরই পালটা তোপ দাগছে বিজেপি।

    প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে পাঠানো চিঠিতে ২৩টি বিরোধী দল ও এক নির্দল সাংসদ সই করেছেন। ইন্ডিয়া জোটের অংশ না হওয়া সত্ত্বেও চিঠিতে সই করেছে আপ ও ডিএমকে। ছ’পাতার ওই চিঠিতে অভিযোগ, দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া ক্রমশ প্রশ্নের মুখে পড়ছে এবং বহু ক্ষেত্রে ফলাফল জনগণের প্রকৃত রায়কে প্রতিফলিত করছে না। নির্বাচন কমিশন, বিশেষ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়েও সরাসরি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পর মানুষের শেষ ভরসা বিচারব্যবস্থা। আদালতও যদি এই অভিযোগে নীরব থাকে, তবে তা গণতান্ত্রিক কাঠামো ও প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি দুর্বল হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত। অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে বিচারবিভাগের দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছে ইন্ডিয়া জোট। চিঠিতে সাফ বলা হয়েছে, “আমরা বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাচ্ছি না। যখন সব ব্যবস্থা সব সংস্থা ব্যর্থ হয়, আমরা বিচারব্যবস্থার দ্বারস্থ হই। কিন্তু সেটাও যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে জাব কোথায়?”

    ইন্ডিয়া জোটের ওই চিঠির বয়ান প্রকাশ্যে আসতেই তেড়েফুঁড়ে আসরে নেমেছে বিজেপি। দলের অন্যতম মুখপাত্র সুধাংশু ত্রিবেদী বলছেন, এটা আর কিছুই নয়, গণতন্ত্রকে অস্বীকার করার চেষ্টা। তিনি বলছেন, “ভারতীয় জনতা পার্টির এই চিঠির তীব্র নিন্দা করছে। আসলে বিরোধীরা জনমানসে সন্দেহ ঢুকিয়ে দিয়ে অরাজকতা তৈরির চেষ্টা করছে। এবং ভুয়ো ভোটার ব্যবহার করে ক্ষমতা দখলের অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ করার শেষ চেষ্টা করছে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)