সমাজকে বদলাতে চেয়েছিলেন। সংগঠিত অপরাধ ও ধর্ষণের মতো নিকৃষ্টতম ঘটনার বিরুদ্ধে গড়ে তুলেছিলেন প্রতিবাদ মঞ্চ। সুটিয়ার ‘বরুণ স্যর’ আজও সকলের কাছে শিরদাঁড়া সোজা রেখে প্রতিরোধের প্রতীক। ১৪ বছর পরেও বরুণ বিশ্বাসকে খুনের ঘটনায় বিচার মেলেনি। পালাবদলের পরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দরবারে শনিবার হাজির হলেন বিশ্বাস পরিবার।
‘জনতার দরবার’-এ হাজির হয়ে নিজেদের অভিযোগের কথা তুলে ধরলেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার। বরুণের দিদি প্রমীলা রায় বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার পুনরায় তদন্তের আবেদন করেছিলাম। গত সরকারের আমলে কিছুই হয়নি। মুখ্যমন্ত্রীকে পুরো বিষয়টি জানিয়ে পুনরায় আবেদন জানিয়েছি। তিনি পুনরায় তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।’ নতুন করে তদন্ত হলে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে বরুণ বিশ্বাসের পরিবার।
গত সরকারের আমলে বরুণ বিশ্বাসের খুনের তদন্ত নিয়ে চূড়ান্ত অসহযোগিতার কথা তুলে ধরে বরুণের পরিবার। প্রমীলা রায় বিশ্বাস বলেন, ‘আমাদের ১৪ বছর অপেক্ষা করে থাকতে হলো। বিগত সরকার নিজেকে মা-মাটি-মানুষ বলে দাবি করেছে, উন্নয়ন করেছে বলে দাবি করেছে। কিন্তু বরুণ কেন খুন হলো? তারা কী করেছে, সেটা এখন মানুষ বুঝতে পেরেছে।’
উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ২০১২ সালের ৫ জুলাই গোবরডাঙা স্টেশন চত্বরে গুলি করে খুন করা হয় বরুণ বিশ্বাসকে। পরিবারের অভিযোগ, কয়েকজন মিলে বরুণের উপরে আক্রমণ চালায়। সন্দেহভাজনের তালিকায় ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। এই ঘটনায় মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে সকলেই পরে জামিন পেয়ে যায়। গোটা ঘটনার তদন্ত নিয়ে খুশি নন পরিবারের সদস্যরা।