চন্দ্রিমা বিদায়ে দলের রাজ্য সভানেত্রী মমতা নিজেই! দুই সাধারণ সম্পাদক মদন ও কুণাল
প্রতিদিন | ০৪ জুলাই ২০২৬
তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনে বদলের পর বদল! দু’মাস কাটতে না কাটতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেছে দেওয়া রাজ্য সভানেত্রীর পদ থেকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের পদত্যাগে নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি হল। আর সেই চ্যালেঞ্জ একেবারে নিজেকে সামনে এনে সামলে দিলেন তৃণমূলনেত্রী। শনিবার ফেসবুক লাইভ করে মমতা ঘোষণা করেন, চন্দ্রিমা বিদায়ের পর তিনিই রাজ্য সভানেত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। সংগঠন চালানোর সুবিধায় দুই সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করলেন তিনি। কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র ও বেলেঘাটার কুণাল ঘোষ হলেন রাজ্য তৃণমূলের নতুন দুই সাধারণ সম্পাদক।
শুক্রবার মেট্রোপলিটানে তৃণমূলের কার্যালয়টি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা রীতিমতো দখল করে নেন। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাহায্যে বড়সড় তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। যখন এই ঘটনা ঘটে, সেসময় এই ভবনে থাকার কথা দলের তৎকালীন রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের। তাই দখলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কাছে জবাবদিহি চান। কেন তাঁর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠল? এই ‘অভিমানে’ শনিবার তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত পদ ছেড়ে দেন চন্দ্রিমা। দুপুরে বিধানসভায় গিয়ে ঋতব্রতদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। এরপরই বিকেলে কালীঘাটের দলীয় কার্যালয় থেকে ফেসবুক লাইভ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংগঠনে রদবদলের ঘোষণা করেন।
মমতার কথায়, ‘‘কে ছেড়ে গেল, তাতে কিছু যায় আসে না। আমি নেতা চাই না, সাধারণ কর্মী চাই। দলের রাজ্য সংগঠনটাও এখন আমি চালাব। আপাতত আমার কাজ নেই। সারাদিন দলটাই দেখব। এমনি আমি রোজ এই পার্টি অফিসে বসি, কর্মীদের সঙ্গে দেখা করি। এবার থেকে আরও বেশি সময় দেব। এছাড়া কাজ চালাতে সুবিধার জন্য দু’জন সাধারণ সম্পাদক ঠিক করেছি। মদন মিত্র ও কুণাল ঘোষ হবেন সাধারণ সম্পাদক। তাঁরা এই কাজে আমাকে সাহায্য করবেন।”