আজকাল ওযেবডেস্ক: দেবরাজ চক্রবর্তীর আরও কুকীর্তি ফাঁস। প্রাক্তন এই তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ প্রোমোটার অভিজিৎ সাহার। অভিযোগ, দেবরাজ ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মনিশ মুখার্জির নামেও। বেশ কয়েক বছর আগে ভিআইপির কাছে অভিজিৎ সাহা একটি বহুতল নির্মাণ করছিলেন। সেই সময় দেবরাজ ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর ওই প্রমোটারের কাজে বাধা দিয়ে টাকা চায়। পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি বলে দাবি এই প্রোমোটারের। উল্টে তাঁর কাছ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা চেয়েছিল দেবরাজ বাহিনী। তবে দেওয়া হয়েছিল ২৭ লক্ষ।
প্রোমোটার, অটোচালক- সকলের থেকেই নাকি তোলা তুলতেন দেবরাজ চক্রবর্তী। বিধাননগর পৌরনিগমের প্রাক্তন এই তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেপ্তার হতেই তাঁর কু-কীর্তি সামনে আসছে।
শেষ ৫ বছরে ১০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বেনামে এবং আত্মীয়-পরিচিতদের নামে হস্তান্তরিত করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সী এবং তাঁর স্বামী দেবরাজ, অভিযোগ এমনই। কীভাবে এত সম্পত্তি করলেন তাঁরা? তাই নিয়ে বিস্ফোরক সব তথ্য সামনে আসছে।
অনেকেই মনে করেন, বাগুইআটির 'বেতাজ বাদশা'র মাথায় হাত ছিল ক্য়ামাক স্ট্রিটেরত। তৃণমূল থেকে প্রতিবাদ করে কয়েকমাসের জন্য় কংগ্রেস গিয়ে, আবার তৃণমূলে প্রত্য়াবর্তন ঘটেছিল দেবরাজের। কারণ টাকা তো শাসক দলের ছত্রছায়ায়! যত বহুতল গড়ে উঠেছে, যত বেড়েছে কলকাতার পার্শ্ববর্তী বাগুইআটি-রাজারহাট-তেঘরিয়া, ততই উড়তে শুরু করেছে টাকা। বেড়েছে আর্থিক লেনদেন। তোলাবাজি কার্যত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে দেবরাজের কাছে। কারণ তৃণমূল নেতার হাতের হাতের মুঠোয় ছিল পুলিশ।