• সিসিটিভিতে শেষবার দেখা যায় বাসে উঠতে, আর খোঁজ নেই...কোথায় গেলেন তরুণী? রহস্যমোচনে বড় সূত্র
    News18 বাংলা | ০৫ জুলাই ২০২৬
  • চলতি বছর ১৩ ই মার্চ হঠাৎ সিউড়ি শহরের ডাঙ্গালপাড়ার বছর ২৪ এর অমৃতা বাবা-মাকে ছেড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। যাওয়ার সময় শুধু একটি পুরনো চাদর নিয়ে বেরিয়েছিল বলে জানা যায়। সেই থেকে কেটেছে অনেকটা সময় এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ মেয়ের সন্ধানে এই প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্ত ঘুরে চলেছে অমৃতার বাবা অর্ধেন্দু সিংহ। পুলিশ প্রশাসন দিনরাত এক করে তল্লাশি চালাচ্ছে অমৃতার। তবে কোথাও কোনও আশার আলো দেখা যাচ্ছে না।

    এখনও পর্যন্ত সুতোর যে ক’টি ডগা হাতে লেগেছে, তার প্রায় সব ক’টিই আস্তে আস্তে টেনে দেখেছেন তদন্তকারীরা। তবে সেই রহস্যের দানা কাটতেই চাইছে না। সিসিটিভি ক্যামেরায় শেষবার অমৃতাকে দেখা গিয়েছিল সিউড়ি-রাজগ্রাম লাইনের একটি বাসে চাপতে। তারপর আর কোনও খোঁজ নেই। আর সেই কারণেই তদন্ত কার্যত থমকে দাঁড়িয়েছিল। তবে “প্রদীপের নিচে অন্ধকার” এর মাঝে ক্ষণিক আশার আলো দেখতে পেলেন তদন্তকারীরা।

    অবশেষে অমৃতার সহপাঠীদের সঙ্গে কথা হয় তদন্তকারীদের। জানতে পারলেন কলকাতার এক মহিলা আইনজীবীর কথা। তাঁর সঙ্গে নাকি খুবই ঘনিষ্ঠ এবং ভাল সম্পর্ক ছিল সিউড়ির নিখোঁজ তরুণী অমৃতার! প্রশাসনিক কর্তাদের সূত্রে জানা যায় অমৃতার বাবা অর্ধেন্দু সিনহা এবং মা সুপ্রিয়া সিনহাকে নিয়ে দুর্গাপুর বিসি রায় কলেজে গিয়েছিলেন তদন্তকারী অফিসারেরা। কারণ ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই কলেজে পড়াশোনা করেছেন অমৃতা।

    কলেজে গিয়ে অমৃতার বান্ধবী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা এবং প্রিন্সিপালের সঙ্গেও কথা বলেন তদন্তকারী অফিসারেরা। তদন্তের সময় আইনজীবী বান্ধবীর কথা জানা যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, অমৃতার সহপাঠীরা জানান, কলেজে পড়াকালীন তাঁরা একবার দক্ষিণেশ্বরে ঘুরতে গিয়েছিলেন। সেখানে ওই আইনজীবী-বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন অমৃতা। দু’জনের মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। কিন্তু সেই বান্ধবীর নাম-পরিচয় বরাবর গোপনই রেখেছিলেন অমৃতা। সেই কারণে সহপাঠীরাও ওই বান্ধবীর ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য পুলিশকে দিতে পারেননি। বর্তমানে তদন্তকারী অফিসারেরা সেই আইনজীবীর খোঁজ চালাচ্ছেন।
  • Link to this news (News18 বাংলা)