তৃণমূলে মুষলপর্ব! এবার রাজ্য সভাপতি পদ ছেড়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টচার্য (Chandrima Bhattacharya)। এই ঘটনাকে কটাক্ষ করলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি (Jitendra Tiwari)। বিধানসভার বাইরে কটাক্ষ করে বলেন, “রাজ্য সভাপতি খুঁজতে তৃণমূল সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিক। যে আগ্রহ্য প্রকাশ করবে তাঁকে রাজ্য সভাপতি করবে।”
শনিবার সকালে রাজ্য সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তিনি কার্যত বিদ্রোহী শিবিরে গিয়েছেন। বিধানসভায় ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তারপরই বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি (Jitendra Tiwari)। তিনি বলেন, “শুনলাম তৃণমূলের বর্তমান রাজ্য সভাপতি পদত্যাগ করেছেন। তৃণমূল সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিক। তা দেখে যে আগ্রহ প্রকাশ করবে তাঁকে রাজ্যসভাপতি করবে।”
উল্লেখ্য, মেট্রোপলিটানের ভবন দখল নিয়ে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ ও ‘ঋতব্রত তৃণমূলে’র দড়ি টানাটানির মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর আনুগত্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সেই ‘অভিমানে’ চন্দ্রিমা সব পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান। শনিবার দুপুরে রাজ্য সভাপতি-সহ তৃণমূলের সব পদ ছেড়েই বিধানসভায় যান চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সেখানে নব তৃণমূল অর্থাৎ বিদ্রোহী তৃণমূল শিবিরের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে এই বৈঠক হয়। বৈঠকে বিদ্রোহী শিবিরের একাধিক বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে চন্দ্রিমাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কালের যাত্রায় সবাইকেই পা মেলাতে হয়।” যদিও তিনি তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করেননি।