• নিজের ভাগ্নের সঙ্গেই প্রেম, তাকে খুন করে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিল মামি! পরকীয়ার মর্মান্তিক ফল
    News18 বাংলা | ০৫ জুলাই ২০২৬
  • ভাগ্নের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মামি। সেই নিয়ে দুই পরিবারেই অশান্তি বেধেছিল। পালিয়েছিলেন বাড়ি থেকে। ভাড়াবাড়িতে থাকতে শুরু করেন। তারপরের ঘটনা অজানা৷ আচমকা শনিবার সকালে সেই ভাড়াবাড়ি থেকে উদ্ধার হল ভাগ্নের ঝুলন্ত দেহ। মামির দেহ পাওয়া গেল রেললাইনে। অভিযোগ, প্রেমিককে খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন প্রেমিকা। ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট। ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

    এদিন রেললাইন থেকে এক বিবাহিত মহিলার দেহ উদ্ধার হয়। একই সময়ে বসিরহাটের ময়লাখোলা সংলগ্ন একটি ভাড়া বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় তার ভাগ্নের মৃতদেহ। ঘটনায় জোড়া মৃত্যুর রহস্য ঘিরে শুরু হয়েছে পুলিশি তদন্ত। মৃতদের নাম দেবাশিস মণ্ডল (৩২) ও রুনু মণ্ডল (৩৩)। দু’জনেরই বাড়ি বসিরহাটের ট্যাটরা এলাকায়। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় ১৪ বছর আগে রুনুর বিয়ে হয় বনগাঁয়। পরে বাপের বাড়িতে আসা-যাওয়ার সময় পূর্বপরিচিত দেবাশিসের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। অভিযোগ, সেই সম্পর্ক পরে প্রেমে পরিণত হয় এবং গত কয়েক মাস ধরে তারা বসিরহাটে একটি ভাড়া বাড়িতে একসঙ্গে থাকছিলেন।

    মৃতের মাসির অভিযোগ, ‘‘বোনপোর সঙ্গে ভাইয়ের স্ত্রীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সেই নিয়ে পারিবারিক অশান্তি চলছিল। বোঝানোর পরেও কেউই এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেনি। আজ এই পরিণতি!’’

    দেবাশিসের পরিবারের দাবি, সম্পর্ক নিয়ে তিনি মানসিক অশান্তিতে ছিলেন। এমনকি সম্প্রতি বাবাকে ফোন করে বাড়ি ফিরতে চেয়েছিলেন বলেও পরিবারের অভিযোগ। বসিরহাট স্টেশন সংলগ্ন অনন্তপুর এলাকায় রেললাইন থেকে রুনুর দেহ উদ্ধার হয়। অন্যদিকে, ময়লাখোলা সংলগ্ন যে বাড়িতে দু’জন ভাড়া থাকতেন, সেই বাড়ির দরজা ভেঙে দেবাশিসের নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। দুটি ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রুনুর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে দেবাশীষের পরিবারের অভিযোগ, রুনুই প্রথমে দেবাশিসকে খুন করে পরে ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। ঘটনার প্রকৃত কারণ, মৃত্যুর সময় ও পরিস্থিতি জানতে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। দুটি দেহই ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)