চা শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা রাজ্য সরকারের! চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হবে ৭২ কোটি টাকা
News18 বাংলা | ০৫ জুলাই ২০২৬
উত্তরবঙ্গের চা-বাগানের শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। সম্প্রতি রাজ্যস্তরের কমিটির বৈঠকে ‘প্রধানমন্ত্রী চা শ্রমিক প্রোৎসাহন যোজনা’ (PMCSPY)-র বাস্তবায়ন পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। এই প্রকল্পে মোট ৩১৩.৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় থাকছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ—
চা-শ্রমিক পরিবারের শিক্ষা পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ১৭৭ কোটি টাকা।
চা-বাগান এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও শক্তিশালী করতে এবং চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় করা হবে ৭২ কোটি টাকা।
মোট ৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হবে ৩২১টি বিশ্রামাগার— যার মধ্যে পাহাড়ে ৮৮টি এবং সমতলে ২৩৩টি। প্রতিটি বিশ্রামাগারে থাকবে অফ-গ্রিড সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানীয় জল, বসার সুব্যবস্থা এবং স্বাস্থ্যসম্মত সিরামিক-ফ্লোরযুক্ত শৌচাগার। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকবে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতর (NBDD)। স্বাস্থ্য দফতর, পশ্চিমবঙ্গ সমগ্র শিক্ষা মিশন এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
উত্তরবঙ্গের চা শিল্প ও শ্রমিকদের জন্য আলাদা করে ঘোষণা করা হল নতুন সরকারের প্রথম বাজেটে। অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত জানান, চা শ্রমিকদের বিভিন্ন সামাজিক সুবিধের কথা মাথায় রেখে সরকারি সাহায্য তুলে দিতে পিএম চা শ্রমিক উৎসাহ যোজনা চালু করা হবে। চা বাগানের শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারের জীবনযাত্রার মানের উন্নতি করাই হবে এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
রাজ্য বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছে, পিএম চা শ্রমিক উৎসাহ যোজনায় বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপ যেমন, সামাজিক সুরক্ষা. স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সুবিধা, আবাসন, শিক্ষা সংক্রান্ত সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি, পুষ্টি বৃদ্ধির সহায়তা ও জীবিকায় বৈচিত্র আনার একটি সমম্পূর্ণ প্যাকেজ অন্তর্ভূক্ত থাকবে। এছাড়াও রাজ্য সরকার বন্ধ চা বাগানের সমস্যাগুলি সমাধান এবং এই শিল্পের সার্বিক অবস্থার সুরাহার জন্য চা শিল্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ভাবে কাজ করবে।