• পা ভেঙেছিল তরুণের, চিকিৎসার গাফিলতিতে মৃত্যু! পরিবারকে ২২ লক্ষ টাকার বিল ধরাল হাসপাতাল
    প্রতিদিন | ০৫ জুলাই ২০২৬
  • পা ভাঙার পর হাসপাতালে আসে তরুণ। মাসখানেক ধরে চলে চিকিৎসা। তারপর মৃত্যু। চিকিৎসার গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে পরিবার। শুধু তাই নয়, ২২ লক্ষ টাকার বিল ধরানো হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। ঘটনায় বিক্ষোভ দেখায় পরিবার। রাঁচির ঘটনা। ঘটনায়  উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।

    পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজুকুমার রঞ্জন। বয়স ১৮ বছর। সে লাতেহার জেলার বাসিন্দা। জুলাই মাসের ১ তিনি মারা যান। পরিবার জানিয়েছে রাজুর পা ভেঙে যাওয়ার পর তাঁরা ওই হাসপাতালে যান। দীর্ঘদিন চিকিৎসা চললেও ফ্যাকচারের চিকিৎসা ভালো করে হয়নি। গাফিলতির জেরে তাঁদের ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের আরও অভিযোগ, ৩ দিন ক্ষতস্থানে কোনও ব্যান্ডেজ করা হয়নি। সেই সমস্যা থেকে সংক্রমণ শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হলে তাঁকে ভেন্টিলেটরে রাখার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। মারা যান রাজু। এরপরই পরিবারের হাতে ২২ লক্ষ টাকার বিল ধরায়। তাতেই পরিবার আরও উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

    বিষয়টি সামনে আসতেই ঘটনাটি নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত সোরেন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে জানিয়েছেন,  ‘ঘটনায় উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে।’ ঝাড়খণ্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরফান আনসারি বলেন, “এই বিষয়টি খুব স্পর্শকাতর। একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্তে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুয়ায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
  • Link to this news (প্রতিদিন)