• ‘ডিমের বদলে কিন্তু এ বার ইট ছোড়া হবে’, বেপাত্তা পঞ্চায়েত প্রধানদের হুঁশিয়ারি দিলীপের
    এই সময় | ০৫ জুলাই ২০২৬
  • রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই কার্যত বেপাত্তা তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যেরা। এমনই অভিযোগ উঠেছে গত মাস দুয়েক ধরে। অভিযোগ, পঞ্চায়েত অফিসে যাচ্ছেন না তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানরাও। এই পরিস্থিতিতে সেই সব পঞ্চায়েত প্রধানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। জানিয়ে দিলেন, পঞ্চায়েতের কাজ বন্ধ করে বসে থাকলে এ বার পুলিশ দিয়ে তুলিয়ে আনা হবে। দরকারে বাড়িও ঘেরাও হবে। হুমকির সুরে রবিবার খড়্গপুরে মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের ভোটে জিতেছেন। পালিয়ে গেলে চলবে না। পরিষেবা দিতে হবে। নইলে ডিমের বদলে ইট ছোড়া হবে।’

    রাজ্যের অধিকাংশ পঞ্চায়েতই প্রাক্তন শাসকদল তৃণমূলের দখলে। কিন্তু অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পতনের পরে যে ভাবে রাজ্য জুড়ে জায়গায় জায়গায় তৃণমূল নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে বিক্ষোভ হচ্ছে, জনরোষ আছড়ে পড়ছে, তাতেই আশঙ্কিত হয়ে কার্যত গা ঢাকা দিয়েছেন পঞ্চায়েত প্রধানরা। যার জেরে পরিষেবা পাচ্ছেন না অনেকে। খড়্গপুরে একটি দলীয় কর্মসূচিতে গিয়ে এই পরিস্থিতি নিয়েই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দিলীপ।

    মন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, কাজ করতে না পারলে পদত্যাগ করতে পারেন জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু কেউ যেন পদ আঁকড়ে না থাকেন। দিলীপ বলেন, ‘প্রায় ২ হাজার পঞ্চায়েত প্রধান আক্রমণের ভয়ে পঞ্চায়েত অফিসে যাচ্ছেন না। এতে মানুষের সরকারি সুবিধা পেতে সমস্যা হচ্ছে। বিভিন্ন পেমেন্ট বন্ধ, সাধারণ মানুষের সার্টিফিকেট পেতে অসুবিধা হচ্ছে। তাই ওই প্রধানদের বলছি, যদি না পারেন, পদত্যাগ করুন। তার পরে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান যেখানে ইচ্ছা চলে যান।’

    যদিও মমতার নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, পঞ্চায়েত প্রধানরা ইচ্ছাকৃত ভাবে পঞ্চায়েত অফিসে যাচ্ছেন না, এ কথা ঠিক নয়। তাঁদের অভিযোগ, বিজেপির কর্মীরাই প্রধানদের যেতে দিচ্ছেন না। তাঁদের কাজে বাধা দিচ্ছেন।

  • Link to this news (এই সময়)