• নারদ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে কী মন্তব্য রাজ্যপালের
    আজকাল | ০৬ জুলাই ২০২৬
  • বিভাস ভট্টাচার্য: নতুন সূর্যের মুখ দেখেছে বাংলা। রবিবার ৫ জুলাই শিশির মঞ্চে এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর এন রবি। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (আরএসএস)-এর দক্ষিণবঙ্গ শাখার উদ্যোগে বিশ্ব সংবাদ কেন্দ্র, দক্ষিণবঙ্গের তরফে এই মঞ্চে আয়োজন করা হয় 'নারদ জয়ন্তী উদযাপন ও নারদ সম্মাননা প্রদান ২০২৬' অনুষ্ঠানের। যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করে একথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে কর্মরত তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে অবসর নেওয়া বেশ কয়েকজন প্রবীণ সাংবাদিককে কর্মক্ষেত্রে তাঁদের স্বতন্ত্র ভূমিকার জন্য সম্মানিত করা হয়। 

    এদিন অনুষ্ঠানে অন্যতম অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ড. কল্যাণ চক্রবর্তী। প্রধান বক্তা ছিলেন ইংরেজি সাপ্তাহিক 'অর্গানাইজার' পত্রিকার সম্পাদক প্রফুল্ল কেতকর। বিশিষ্ট বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর এস এস-এর সহ ক্ষেত্র প্রচার প্রমুখ চিন্তাবিদ ড. জিষ্ণু বসু। অন্যান্যদের সঙ্গে বক্তব্য পেশ করেন আরএসএস দক্ষিণবঙ্গের প্রান্ত প্রচার প্রমুখ বিপ্লব রায়। 

    এদিন রাজ্যপাল বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে বিজ্ঞানের নানাবিধ প্রয়োগ-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা ভারত আবার কীভাবে দ্রুত উপরে উঠে এসেছে সে কথা তুলে ধরেন। চীন বা পাকিস্তানের মতো দেশকে ভারত কীভাবে উপযুক্ত জবাব দিয়ে চলেছে, সেই প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন তিনি। জানান, ডোকলাম সীমান্তে চীনা সেনার চোখে চোখ রেখে ভারত কীভাবে তাদের জবাব দিয়েছিল বা পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর ভারত কীভাবে 'অপারেশন সিঁদুর'-এর মাধ্যমে পাকিস্তানকে উত্তর দিয়েছিল। 

    রাজ্যের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি জানান, বাংলা একটা দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকার পর নতুন সূর্যের মুখ দেখেছে। বাংলার মানুষের চেষ্টাতেই এটা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, "আগামী দিনে বাংলার অগ্রগতি যতটা হবে, ভারতের অগ্রগতিও ততটাই হবে।" 

    মন্ত্রী ড. কল্যাণ চক্রবর্তী বলেন, "আমি নিজে একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম।" সংবাদমাধ্যম এবং তার নানা দিকগুলি ব্যাখ্যা করেন প্রফুল্ল কেতকর। চিন্তাবিদ ড. জিষ্ণু বসু বলেন, "সংবাদজগতে যাঁরা মাথা উঁচু করে লড়াই করেন, কলকাতা বা বাংলা তাঁকে ভোলে না।"
  • Link to this news (আজকাল)