• বাংলায় উদযাপন করা হল নারদ জয়ন্তী
    দৈনিক স্টেটসম্যান | ০৬ জুলাই ২০২৬
  • রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের দক্ষিণবঙ্গ শাখার উদ্যোগে শিশির মঞ্চে নারদ জয়ন্তী উদযাপন ও নারদ সম্মাননা প্রদায় ২০২৬ অনুষ্ঠিত হল। অনুষ্ঠানে মোট ১১ জন সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান করা হল।

    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল মাননীয় আর এন রবি, কল্যাণ চক্রবর্তী( মন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ সরকার), শ্রী প্রফুল্ল কেতকর এবং শ্রী জিষ্ণু বসু। রাজ্যপাল এদিন বলেন, বর্তমানে নতুন সূর্যের মুখ দেখছে বাংলা। অনুষ্ঠানে কর্মরত তরুণ সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রবীণদেরও তাঁদের ভূমিকার জন্য সম্মানিত করা হয়েছে।

    এদিন রাজ্যপাল আর এন রবির বক্তব্যে উঠে আসে বিজ্ঞানের নানাবিধ প্রয়োগ সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা ভারত আবার কিভাবে দ্রুত শিখরে পৌঁছবে। সেই প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন তিনি। রাজ্যের প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে তিনি জানান, বাংলার মানুষের চেষ্টাতেই ভারতেরও অগ্রগতি হবে।

    এছাড়াও তিনি তুলে ধরেন বিজ্ঞানের নানাবিধ প্রয়োগ-সহ অন্যান্য ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা ভারত আবার কীভাবে দ্রুত উপরে উঠে এসেছে সে কথা তুলে ধরেন। চীন বা পাকিস্তানের মতো দেশকে ভারত কীভাবে উপযুক্ত জবাব দিয়ে চলেছে, সেই প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখেন তিনি। জানান, ডোকলাম সীমান্তে চীনা সেনার চোখে চোখ রেখে ভারত কীভাবে তাদের জবাব দিয়েছিল বা পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর ভারত কীভাবে ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তানকে উত্তর দিয়েছিল।

    পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গে জানান, বাংলা একটা দীর্ঘ সময় অন্ধকারে থাকার পর নতুন সূর্যের মুখ দেখেছে। বাংলার মানুষের চেষ্টাতেই এটা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, ‘আগামী দিনে বাংলার অগ্রগতি যতটা হবে, ভারতের অগ্রগতিও ততটাই হবে।‘

    চিন্তাবিদ ডক্টর জিষ্ণু বসু বলেন, সংবাদ জগতে যারা মাথা উঁচু করে লড়াই করেন বাংলার মানুষ তাঁদের ভোলেন না।

    মন্ত্রী ডঃ কল্যাণ  চক্রবর্তী বলেন, ‘আমি নিজে একটি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম।’ সংবাদমাধ্যম ও তার নানা দিক ব্যাখা করেন প্রফুল্ল কেতকর। সেই সঙ্গে তুলে ধরেন সংবাদমাধ্যমের প্রয়োজনীয়তার কথাও।
  • Link to this news (দৈনিক স্টেটসম্যান)