বারুইপুরের নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা মমতার, বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন নিয়ে ক্ষোভ
প্রতিদিন | ০৬ জুলাই ২০২৬
বারুইপুরে নাবালিকা ‘ধর্ষণ ও খুনে’র মামলায় দ্রুত পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দোষীদের কঠোরতম শাস্তির আশ্বাস দিয়েছেন। ঘটনার রাতে এবার নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এরপরই একটি ভিডিও বার্তায় আচমকা তাঁর বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন নিয়ে উগরে দেন ক্ষোভ।
শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের ১১ বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার করা হয়। তাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলেই অভিযোগ পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের। এই নিয়ে সকালে থেকেই উত্তপ্ত বারুইপুর। এক অভিযুক্তকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে উত্তেজিত জনতার বিরুদ্ধে। খবর পেয়েই নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তড়িঘড়ি পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে গঠন করা হয় সিট। গ্রেপ্তার করা হয় ২ জনকে। এদিকে রবিবার সন্ধ্যায় আচমকাই কালীঘাটে মমতা ও অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এরপরই একটি ভিডিও বার্তায় বারুইপুর কাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মমতা। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানান। পাশাপাশি বাড়ির সামনে পুলিশ মোতায়েন প্রসঙ্গেও একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। মমতার দাবি, তিনি যাতে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে না পারেন সেই কারণেই আচমকা এই পুলিশ মোতায়েন। মমতা বলেন, “আমি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু প্রশ্ন হল, এমন কী ঘটল যে হঠাৎ আমার বাড়ির সামনে সিআরপিএফ, আরপিএফ মোতায়েন করা হল? আমরা চোর না ডাকাত? কোনও দিন দাঙ্গা করেছি? আমি তো এখন একা, একা যাব বলেছিলাম। আমাকে নিয়ে এত চিন্তা কেন? আমাকে নজরবন্দি করা হয়েছে কেন? আপনারা কী চাইছেন আমি বুঝতে পারছি না?”