ছিনতাই কাণ্ডের তদন্তে বড়সড় সাফল্য। রবিবার পুলিশ হেফাজতে থাকা দুই অভিযুক্তের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩০.৭০ গ্রাম সোনার গয়না এবং আড়াই লক্ষের বেশি নগদ টাকা উদ্ধার করল বনগাঁ জিআরপি। উদ্ধার হওয়া সোনার গয়না মামলার সঙ্গে যুক্ত বাজেয়াপ্ত সম্পত্তি বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নগদের উৎস জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ছিনতাই কাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ছবিরান হোসেন হালদার, মফিজুল রহমান, সঞ্জিত সিনহা ওরফে খোকন এবং কমল সরকার নামে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে বনগাঁ জিআরপি। ধৃতদের জেরা করে সোনা এবং নগদ টাকার সন্ধান পান তদন্তকারীরা। এর পরেই শুরু হয় অভিযান।
এ দিন প্রথমে অভিযুক্ত কমল সরকারের নৈহাটির বাড়িতে হানা দেয় বনগাঁ জিআরপি-র তদন্তকারী দল। শুরু হয় তল্লাশি। তখনই উদ্ধার হয় ৩০.৭০ গ্রাম সোনার গয়না এবং বার। একই সঙ্গে নগদ ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৩২০ টাকাও উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা।
এর পরে সঞ্জিত সিনহা ওরফে খোকন নামে আর এক অভিযুক্তের নোয়াপাড়ার বাড়িতে হানা দেন তদন্তকারীরা। সেখান থেকে ৪১ হাজার ৮৮০ টাকা নগদ উদ্ধার হয়। তদন্তকারীদের দাবি, চুরি, ছিনতাই করা সোনার চেন বিক্রি করে ওই টাকা পেয়েছিলেন বলে জেরায় স্বীকার করেছেন সঞ্জিত। সেই দাবির সত্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই চক্রের সঙ্গে আরও অনেকেই জড়িত থাকতে পারে বলে অনুমান তদন্তকারীদের। তাই শিয়ালদহ জিআরপি-র আওতায় থাকা সমস্ত থানার ওসি ও আইসিদের ধৃতদের অতীত কর্মকাণ্ডের নথি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনও জিআরপি থানা এলাকায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।