আজকাল ওয়েবডেস্ক: বারুইপুরের ঘটনার পর তাঁকে 'হাউস অ্যারেস্ট' করা হয়েছে। রবিবার রাতে অভিযোগ করেছিলেন মমতা ব্যানার্জি। যা নিয়ে হইহই কাণ্ড। সোমবা তৃণমূল নেত্রীর অভিযোগ নিয়ে নিজস্ব ঢঙে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে এক ১২ বছরের নাবালিকার রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র দিনভর তীব্র উত্তেজনা ছিল। ধপধপি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের সূর্যপুর হাট এলাকায় বাড়ির অদূরেই পুকুর থেকে এক নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, শনিবার বিকেল চারটে নাগাদ খাবার কিনতে বেরিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি নাবালিকা। রাতজুড়ে খোঁজাখুঁজির পর রবিবার সকালে তার ভাসমান দেহ উদ্ধার হয়। নাবালিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরে শোকগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়ে।
এই ঘটনা নিয়ে বিকেলে মুখ খোলেন মমতা। তাঁর উদ্বেগের কথা জানিয়ে তৃণমূল নেত্রী বলেন, "বারুইপুরে যে ঘটনা ঘটেছে, তা এক মারাত্মক রূপ নিয়েছে। কারণ মানুষ সহ্য করতে করতে মানুষের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে।"
সন্ধ্যার মুখে দেখা যায়, হরিশ চ্যাটার্জি লেনে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িকে কেন্দ্র করে মোতায়েন রয়েছে এই বাহিনী। কেন হঠাৎ এত পুলিশকর্মীকে সেখানে পাঠান হল? তা নিয়ে জলঘোলা হতে শুরু করে।
রবিবার রাতে মমতা ব্যানার্জি অভিযোগ করেন যে, তিনি নির্যাতিতা পরিবারের পাশে দাঁড়াতে একাই যেতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর বাড়ির সামনে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করে তাঁকে একপ্রকার 'নজরবন্দি' বা 'হাউস অ্যারেস্ট' করে রাখা হয়েছে। তাঁ প্রশ্ন, ১৪৪ ধারা না থাকা সত্ত্বেও কেন সিআরপিএফ, আরপিএফ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা বিভাগের পুলিশ দিয়ে তাঁর বাড়ির রাস্তা ঘিরে রুট মার্চ করানো হচ্ছে।
তৃণমূল নেত্রীর এই অভিযোগ নিয়েই তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। কেন প্রশাসনের এই ভূমিকা? নিউটাউন ইকোপার্কে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ তাঁর ব্যাখ্যা দেন। বলেন, "ওনাকে কেন হাউস অ্যারেস্ট করা হবে? যাতে আর কেউ ডিম না মারে আমাদের চিন্তা হয়৷ সেটাই হয়েছে।"