• জনগণনার কাজে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নিযুক্ত হবেন প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কর্মী
    বর্তমান | ০৬ জুলাই ২০২৬
  • নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: আগামী মাসে শুরু হচ্ছে জনগণনা। ব্যক্তি এবং তাঁদের বাড়ির তথ্য সংগ্রহ করার জন্য দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নিযুক্ত হবেন প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কর্মী। তাঁরা এনিউমারেটর এবং সুপারভাইজার। এঁরা মূলত বিএলও, লাইন বিভাগের অফিসার এবং আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। শীঘ্রই তাঁদের ট্রেনিং দেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে আগস্ট মাসে বাড়ির যাবতীয় তথ্য নথিভুক্ত করতে হবে। সেটা চাইলে কেউ নিজেই অনলাইনে পূরণ করে ফেলতে পারবেন। না হলে বাড়ি বাড়ি যাবেন এনিউমারেটররা। প্রশ্নের ঝুলি নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেসব নথিবদ্ধ করবেন তিনি। যে ব্লকে সব থেকে বেশি পঞ্চায়েত সেখানে সর্বাধিক কর্মী নামানো হবে। যেমন বারুইপুর ব্লকে থাকবেন জেলার সব থেকে বেশি এনিউমারেটর।

    বড়ো জেলা হওয়ার সুবাদে প্রচুর লোকবল প্রয়োজন। তাই বিএলওদের পাশাপাশি বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় কর্মরত আশা ও অঙ্গনওয়ারি কর্মীদের নামানো হবে। কারণ তাঁরা নিজেদের এলাকা ভালো চেনেন। একেকটি অঞ্চলে বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে চলবে জনগণনার তথ্য সংগ্রহ করার কাজ। গ্রামীণ এবং প্রান্তিক এলাকাতেও এই কাজের দায়িত্ব থাকবে মূলত ওই দুই শ্রেণির কর্মীদের উপরই।

    জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে মহকুমা ভিত্তিক বিডিও, যুগ্ম বিডিও এবং পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এঁরা নিজ নিজ ব্লক বা পুরসভার চার্জ অফিসার। অর্থাৎ, গ্রামীণ এলাকার জন্য বিডিও বা যুগ্ম বিডিও এবং পুর এলাকায় এই দায়িত্ব এগজিকিউটিভ অফিসারের কাঁধে। মহকুমা শাসকরা পুরো কাজটার উপর নজর রাখবেন। নিখুঁত কাজ কীভাবে করতে হবে, সেটাই মূলত প্রশিক্ষণে বলা হয়েছে। যাঁরা মাঠে নেমে গণনার কাজে থাকবেন, তাঁদেরও ভালো করে পাঠ দেওয়া হবে। এঁদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণের পর সংশ্লিষ্ট কর্মীদের, যাঁরা এনিউমারেটর হয়ে কাজ করবেন, তাঁদের দেওয়া হবে বিশেষ চিঠিও।

    আগস্টের প্রথম ১৫ দিন বাড়ির লোকজনকে সুযোগ দেওয়া হবে নিজেদের তথ্য অনলাইনে আপলোড করতে। যাঁরা অনলাইনে তা করতে পারবেন না, তাঁদের জন্য পরের ১৫ দিন বাড়ি বাড়ি যাবেন এনিউমারেটররা।
  • Link to this news (বর্তমান)