বারুইপুর কাণ্ডে জিরো টলারেন্সের কথা আগেই জানিয়েছিলেন, এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেব।' ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট অর্থাৎ সর্বোচ্চ সাজা। সেক্ষেত্রে তা হতে পারে ফাঁসি কিংবা আমৃত্যু কারাদণ্ড।
সোমবার শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, 'অন্যান্য যা যা ঘটেছে তার সঙ্গে সামশেরগঞ্জ, বেলডাঙার মিল পাচ্ছি। তদন্ত চলছে। কাউকে ছাড়ব না। এর থেকে বেশি কিছু তদন্ত চলাকালীন বলা উচিত নয়।' এরপরই তাঁর সংযোজন, 'তবে এটুকু বলব, বাবার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। পরিবার যেভাবে চাইছে, সেভাবেই ন্যায়বিচার হবে। ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট দেব দোষীদের।'
গত শনিবার বিকেল ৪টে থেকে নিখোঁজ ছিল নির্যাতিতা। খাবার কেনার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল সে। রবিবার বাড়ির কাছেই একটি পুকুর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল ৪ যুবক। ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে তাকে। এরপরই পরিস্থিতি রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। দেহ আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পথ অবরোধ করেন তাঁরা। বন্ধ হয়ে যায় শিয়ালদা-নামাখানা লাইনে ট্রেন চলাচল।
খুনে অভিযুক্ত সন্দেহে গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যুও হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, '৩টে আলাদা মামলা দায়ের হয়েছে। তার মধ্যে একটি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে একটি সাম্প্রদায়িত অ্যাঙ্গেল রয়েছে।'
মৃত নাবালিকার ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে নাবালিকার উপর অত্যাচারের প্রমাণ মিলেছে। ইতমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছিল ২ জনকে। আরও ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, এদিন দুপুরেই গ্রেফতার হয়েছে ঘটনায় মূল অভিযুক্ত।