বাড়ি থেকে তিন কিলোমিটার দূরে, রেললাইনের ধারে একটি আমবাগানে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। শুধু তাই নয়, বিজেপি কর্মীর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় গাছে ঝুলছে। কল্যাণী থানার অন্তর্গত সাহেব বাগান ডেঙ্গুরপাড়া এলাকার ঘটনা। পরিকল্পিত খুনের অভিযোগে সরব পরিবার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম বিশ্বজিৎ শিকদার। তিনি তিনি বিজেপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। বিশ্বজিতের বাবা কল্যাণী মণ্ডল-২ এর ১২৭ নম্বর বুথের সভাপতি। সোমবার সকালে আমবাগানের দিকে যেতেই এলাকার কয়েকজনের নজরে আসে ঝুলন্ত দেহটি। সঙ্গে সঙ্গে শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। খবর দেওয়া হয় পরিবারে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি নেতৃত্ব ও কল্যাণী বিধানসভার প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক। আসে কল্যাণী থানার পুলিশও। মৃতদেহটি উদ্ধার করে কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পরিবারের অবিযোগ, বাড়ি থেকে এতদূরে এনে কেউ বা কারা খুন করে হাত-পা বাঁধে আমগাছে ঝুলিয়ে দিয়েছে। বিজেপির দাবি, বিশ্বজিৎ ও তাঁর বাবা সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত থাকায়, দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের। বিশ্বজিতকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য একাধিকবার চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। এমনকী এর আগে এলাকায় তৃণমূল নেতৃত্বদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার কারণে তাঁকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। তাঁর দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।
নদীয়া জেলার কল্যাণী থানার অন্তর্গত সাহেব বাগান ডেঙ্গুরপাড়া এলাকায় এক বিজেপি কর্মীর হাত-পা বাঁধা ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ শিকদার। তিনি বিজেপির সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। পরিবারের দাবি, বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে রেললাইনের ধারে একটি আমবাগানে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি কর্মী নেতৃত্ব ও কল্যাণী বিধানসভার প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক, পৌঁছায় কল্যাণী থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে কল্যাণী জহরলাল নেহেরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে। কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেছে।
কী কারনে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু? ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। বিজেপির অভিযোগ, এটি সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক খুন। তাদের দাবি, বিশ্বজিৎকে বাড়ি থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে এই স্থানে মেরে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি বিজেপির। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের পাশাপাশি মৃতদেহের ময়নাতদন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন কোনও হাসপাতালে করার দাবিও জানিয়েছে তারা। অন্যদিকে, ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণী থানার পুলিশ।