• মটমট শব্দে বসে গেল বাঁশের সাঁকো, নদীর জল বাড়তেই বিচ্ছিন্ন গোটা এলাকা
    News18 বাংলা | ০৬ জুলাই ২০২৬
  • পানার চাপে ভাঙল সেতু! বর্ষার শুরুতেই হাওড়া জেলার দ্বীপ অঞ্চলের সঙ্গে সংযোগ রক্ষাকারী কুলিয়া বাঁশের সাঁকো ভেঙে পড়ল। হঠাৎ নদীতে জলস্তর বৃদ্ধির সঙ্গে কচুরিপানার চাপে সাঁকোর মাঝের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে আপাতত চলাচল বন্ধ। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা সাঁকোর পরিবর্তে মানুষ নৌকায় পারাপার করছে। মুণ্ডেশ্বরী হল দামোদরের একটি প্রধান শাখা নদী। হাওড়ার পশ্চিমাংশ ছুঁয়ে গিয়েছে এই নদী।

    বৃষ্টি এবং ডিভিসির জল একসঙ্গে হলে বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হয় হাওড়ার উদয়নারায়নপুর এবং আমতার কিছু অংশ জুড়ে। বৃষ্টির জলে নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও ভয়াবহতা এখনই তৈরি হয়নি। কিন্তু নদীর জলের সঙ্গে কচুরিপানার স্তূপ ভেসে আসছে, তাতেই ক্ষতিগ্রস্ত সাঁকো। রবিবার সেতুর মাঝের অংশ বসে যায়। এরপরই নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ সেতু দিয়ে সব ধরনের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়। এই বাঁশের সেতুটিই হাওড়ার দীপাঞ্চল ভাটেরা ও ঘোড়বেড়িয়া-চিতনান গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার সঙ্গে হাওড়ার মূল ভূখণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের মাধ্যম।

    নতুন সরকার গঠনের আগে পঞ্চায়েতের নিযুক্ত ঘাট মালিক সেতুটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে ছিলেন। সেই সময় এই সেতু পারাপার করতে মানুষকে সামান্য অর্থ ব্যয় করতে হত। পালা বদলের পর এই সেতু ব্যবহার করে যাতায়াত সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করে দেওয়া হয়। প্রতিদিন যাতায়াতকারী মানুষজন তাতে স্বস্তি পেয়েছিলে। কিন্তু সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে চিন্তিত স্থানীয় মানুষ।

    সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর ব্লক প্রশাসনের নির্দেশে যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতে নৌকা পরিষেবা চালু রাখা হয়েছে। এদিকে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে পুলিশের তত্ত্বাবধানে একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১৫ জন করে যাত্রীকে নদীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। দ্রুততার সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশের সাঁকো মেরামতির কাজ চালানো হচ্ছে। যাতে পুনরায় মানুষ সাঁকো ব্যবহার করে চলাচল করতে পারেন, তার জন্য সবরকম চেষ্টা করা হচ্ছে বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
  • Link to this news (News18 বাংলা)