• ‘মুহূর্তটা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’, শাহী সাক্ষাৎ নিয়ে আবেগপ্রবণ প্রসেনজিৎ
    প্রতিদিন | ০৭ জুলাই ২০২৬
  • ৬ জুলাই, সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে ঝটিকা সফরে কলকাতা এসেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিনের কর্মসূচীতে নথিভুক্ত ছিল পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ। সোম বিকেলে ‘ইন্ডাস্ট্রি’র বাড়িতে শাহর আগমনেই তা স্পষ্ট। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছিলেন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ও বিজেপি নেত্রী তথা অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। তবে কী কারণে অভিনেতার বাসভবন ‘উৎসব’-এ তাঁদের এই আগমন সেটা নিয়ে একটা ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল।

    শোনা গিয়েছিল প্রসেনিজৎ তাঁর বাড়িতে শাহকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তা রক্ষা করতেই এসেছিলেন। কিন্তু, দুই হেভিওয়েট ব্যক্তিত্বের সাক্ষাৎয়ের নেপথ্যে ছিল এক বিশেষ কারণ।চব্বিশ ঘণ্টা পেরনোর আগেই হল রহস্যের উন্মোচন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎয়ের কারণ জানিয়েছেন।

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও প্রসেনজিৎকে সঙ্গে নিয়ে শাহ লিখেছেন, ‘বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক ও লেখক শ্রী প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়জির সঙ্গে ওঁর বাসভবনে কিছুক্ষণ সময় কাটালাম। গত ১২ বছরে মোদী সরকারের ‘বিশেষ জনসংযোগ অভিযান’-এর ঐতিহাসিক সাফল্য সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলাম।’

    তাঁর পোস্টেই খোলসা হল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনে সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎয়ের প্রকৃত কারণ। ‘উৎসব’-এ অমিত শাহর পদধূলি পড়তেই সেখানে যেন তৈরি হয়েছিল প্রকৃত উৎসবের আমেজ! অমিত শাহর পোস্ট পুনরায় নিজের ওয়ালে শেয়ার করেছেন অভিনেতা।

    অন্তরের বিশেষ অনুভূতি, কৃতজ্ঞতাবোধ ব্যক্ত করে প্রত্যুত্তরে বলেন, ‘আমার বাড়িতে আপনাকে স্বাগত জানাতে পেরে আমি সত্যিই গর্বিত, অমিত শাহজি। আপনার আন্তরিক আগমন এবং আমাকে উপহার হিসেবে দেওয়া বইগুলির জন্য অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই। আপনার সঙ্গে কাটানো সময়, আমার কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আপনার এই সৌজন্যের নিদর্শন আমি সযত্নে লালন করব। আপনার আগমনে আমি গভীরভাবে সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।’

    এই প্রথম নয়। ভোটের আবহে সুকান্ত মজুমদার, শমীক ভট্টাচার্যের মতো নেতাও প্রসেনজিতের বাড়ি গিয়ে দেখা করে, কথা বলে এসেছেন। এবছর ‘পদ্মশ্রী’ সম্মান পাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে গেরুয়া শিবিরের নেতাদের যোগাযোগ আরও বেড়েছে। সেই আবহেই প্রসেনজিতের রাজনীতিতে আগমন নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। এমনকী ভোটের প্রার্থী হওয়া নিয়েও গুনগুন, ফিসফাস শুরু হয়। যদিও অভিনেতা এবং নেতা – দু’পক্ষেরই দাবি ছিল, এসব একেবারেই সৌজন্য সাক্ষাৎ।
  • Link to this news (প্রতিদিন)