• বারুইপুরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, ঘটনাস্থলে বিক্ষোভের মুখে ঋতব্রত-সায়নীরা, শুনতে হলো ‘বেইমান’ স্লোগান
    এই সময় | ০৭ জুলাই ২০২৬
  • নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তপ্ত বারুইপুরে মঙ্গলবার যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, দুপুরের দিকে বারুইপুর পুলিশ জেলার সুপারের অফিসে যাওয়ার কথা তাঁর। সেখানে নির্যাতিতার মা-বাবাকেও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এসপি অফিসেই তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রাজ্যের ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা।

    মঙ্গলবার সকালে নির্যাতিতার বাড়িতে যায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। সেখানে প্রথমে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তাঁরা। তাঁদের ‘গদ্দার, বেইমান, বালিশচাটা’ বলে স্লোগানও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে অবশ্য তাঁরা নির্যাতিতার বাড়িতে যান। পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথাও বলেন। ঋতব্রতদের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যও। নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়েছিলেন সদ্য তৃণমূল ছেড়ে অখ্যাত রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-এ যোগ দেওয়া তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার এবং সায়নী ঘোষরা। পরে সায়নী বলেন, ‘আমরা চাইব, সরকার দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করুক। মুখ্যমন্ত্রী সেই আশ্বাসও দিয়েছেন।’ দোষীদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন সায়নী। বলেন, ‘আমরা ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট চাইছি।’ মঙ্গলবার সকাল ১০টা নাগাদ নির্যাতিতার বাড়িতে যান আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিও।

    নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনার নিন্দা করে পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে এসেছে বিজেপির প্রতিনিধি দলও। বিজেপির মহিলা নেত্রীদের একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে যান। পরিবারের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন। ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়। পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, ‘কোন ধর্মের, কোন বয়সের, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। একজন মেয়ের উপর অত্যাচার হয়েছে, সেটাই শেষ কথা। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। সর্বোচ্চ শাস্তি হবে অভিযুক্তদের।’

  • Link to this news (এই সময়)