• শুভেন্দুর কথাতেই বারুইপুরে কাকলি, সঙ্গে ঋতব্রত-ও
    আজকাল | ০৭ জুলাই ২০২৬
  • আজকাল ওয়েবডেস্ক: প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হল তৃণমূলের 'বিদ্রোহী' গোষ্ঠী। বিজেপি প্রতিনিধিরা বেরিয়ে যাওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ঋতব্রত শিবিরের বেশ কয়েকজন প্রতিনিধি। ঋতব্রত ব্যানার্জি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের সঙ্গেই দেখা যায় তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া স্থানীয় সাংসদ সায়নী ঘোষ, কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের।

    ঘটনাস্থলে পৌঁছেই পুলিশের সঙ্গে এই প্রতিনিধি দলের সদস্যদের বচসা শুরু হয়। এলাকায় প্রবেশকে কেন্দ্র করে কিছুক্ষণ উত্তেজনা ছিল। পরে স্থানীয় সাংসদ হওয়ার কারণে শুধুমাত্র সায়নী ঘোষকে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেয় পুলিশ। তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সমবেদনা জানান এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

    প্রতিনিধি দলের বাকি সদস্যরা বাইরে অপেক্ষা করেন। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন, "এমন নৃশংস অপরাধের ঘটনায় রাজ্য সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে প্রশাসন সক্রিয় রয়েছে।" তিনি আরও জানান, এই কঠিন সময়ে শোকাহত ও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই তাঁদের মূল উদ্দেশ্য। পরিবার যাতে ন্যায়বিচার পায় এবং তদন্ত দ্রুত শেষ হয়, সেই বিষয়েও সরকার নজর রাখছে।

    এদিন বারুইপুরে গিয়েছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক তথা আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকী। পুলিশ ও রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    উল্লেখ্য, বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। বিরোধী দলগুলিও ঘটনাস্থলে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। এর মধ্যেই মঙ্গলবার তৃণমূলের এই প্রতিনিধি দলের সফর রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    এদিকে গোটা ঘটনায় তদন্ত জোরকদমে চলছে। প্রশাসনের দাবি, দোষীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নির্যাতিতার পরিবারকে সবরকম সহায়তা দেওয়া হবে। 
  • Link to this news (আজকাল)