আজকাল ওয়েব ডেস্ক: উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরনোর পর থেকেই ঘরের চেনা চওড়া টেবিলটায় এখন শুধুই স্তূপীকৃত খবরের কাগজ, আর ল্যাপটপের স্ক্রিনে খোলা একের পর এক কাউন্সেলিংয়ের ওয়েবসাইট। ড্রয়িংরুমের চায়ের কাপে ধোঁয়া ওঠার আগেই শুরু হয়ে যায় সেই চেনা আলোচনা — "কোন স্ট্রিম নিলে ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত?" "কোন কলেজে পড়াশোনার পরিবেশ সবচেয়ে ভাল ?" কিংবা "চার বছর পর ক্যাম্পাসিংয়ে ভাল চাকরি পাওয়া যাবে তো ?"
সন্তানের জীবনের এই ১৮-১৯ বছর বয়সটা আসলে শুধু তার নিজের নয়, একজন অভিভাবকের জন্যও এক চরম অগ্নিপরীক্ষার সময়। বি-টেক (B.Tech) বা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি করানো মানে তো শুধু একটি নামী প্রতিষ্ঠানের গেট দিয়ে সন্তানকে ভেতরে পাঠানো নয়, এটি তার আগামী চার বছরের স্বপ্ন, দক্ষতা, আত্মবিশ্বাস আর একটা গোটা কর্মজীবনের ভিত গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী সিদ্ধান্ত। আর ঠিক এইখানেই বিজ্ঞাপনের ঝকমকে ভিড় ঠেলে সততা ও আস্থার এক অনন্য নাম হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বা NSEC।
বিগত ২৮ বছর ধরে বাংলা তথা দেশের শিক্ষা মানচিত্রে নিজেদের এক গৌরবময় শিক্ষাগত ঐতিহ্য বজায় রেখেছে ‘এনএসইসি’। টেকনো ইন্ডিয়া গ্রুপ-এর এই প্রথম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজটি আজ শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, হাজার হাজার সফল ইঞ্জিনিয়ার তৈরির এক আধুনিক কারখানা। এআইসি AICTE অনুমোদিত, MAKAUT-এর অধিভুক্ত এবং NAAC ও NBA স্বীকৃত এই কলেজটির প্রতি অভিভাবকদের এই অবিচল ভরসার কারণ কিন্তু রাতারাতি তৈরি হয়নি, এর পেছনে রয়েছে বছরের পর বছর ধরে বজায় রাখা শিক্ষার গুণগত মান।
এখানে ছাত্রছাত্রীদের শুধু সিলেবাসের বাঁধাধরা গতানুগতিক পড়াশোনা করানো হয় না। বর্তমানের দ্রুত পরিবর্তনশীল কর্পোরেট জগতের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে তাদের তৈরি করা হয় এক-একজন ‘ইন্ডাস্ট্রি রেডি প্রফেশনাল’ হিসেবে।
এনএসইসি’-র শিক্ষার মূল মন্ত্রটাই হল থিয়োরির পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতার মেলবন্ধন। কলেজ চত্বরে পা রাখলেই বোঝা যায়, এখানকার পরিবেশ কতটা ভবিষ্যৎমুখী। ছাত্রছাত্রীদের প্রথম দিন থেকেই তৈরি করার জন্য এখানে রয়েছে;
প্রি-প্লেসমেন্ট ট্রেনিং: ইন্টারভিউয়ের টেবিল ফেস করার ভয় দূর করতে বিশেষ ট্রেনিং।
ইন্টার্নশিপ প্রিপারেশন: পড়াশোনার মাঝেই বিভিন্ন নামী সংস্থায় হাতে-কলমে কাজ শেখার সুযোগ।
স্টার্ট আপ সাপোর্ট: যারা চাকরি করার চেয়ে নতুন কিছু তৈরি করতে চায়, সেই তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বিশেষ ইনোভেশন হাব।
শিল্পের জগতের দিকপালদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: শিল্পের জগতের দিকপালদের সঙ্গে সরাসরি মেলবন্ধন এবং সঠিক কেরিয়ার বেছে নেওয়ার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ।আজকের দিনে দাঁড়িয়ে যে কোনও অভিভাবকের সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা থাকে— "পড়াশোনা শেষে চাকরিটা মিলবে তো?" ‘এনএসইসি’ এই প্রশ্নের উত্তর দেয় তাদের সাফল্যের খতিয়ান দিয়ে। কলেজের সর্বোচ্চ প্যাকেজ ছুঁয়েছে ৬২ লাখ প্রতি বছর এবং গড় প্যাকেজ ৬.৫ লক্ষ প্রতি বছর। উইপ্রো, কেপিজেমিনি-এর মতো গ্লোবাল জায়ান্টরা প্রতি বছর এই ক্যাম্পাসের দরজায় কড়া নাড়ে মেধার সন্ধানে। এই পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে, এখানকার পড়ুয়ারা বিশ্বমঞ্চে লড়াই করার জন্য কতটা উপযুক্ত।
৪০টিরও বেশি স্কলারশিপ গাইডেন্সঅর্থ যেন কখনও মেধার বিকাশে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়, তার জন্য এনএসইসি সদা তৎপর। অনেক সময় সঠিক তথ্যের অভাবে ছাত্রছাত্রীরা সরকারি বা বেসরকারি স্কলারশিপের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। এই কলেজে রয়েছে ‘Expert Support’ টিম, যারা ৪০টিরও বেশি স্কলারশিপের আবেদন (Application) থেকে শুরু করে সমস্ত নথিপত্র তৈরিতে (Documentation) ছাত্রছাত্রীদের প্রতিটি ধাপে গাইড করে।শেষ পাতা: আজকের সঠিক সিদ্ধান্তই হোক আগামীর সুরক্ষাকবচনদীর গতিপথ যেমন তার উৎসের ওপর নির্ভর করে, তেমনই সন্তানের আগামীর রূপরেখা ঠিক করে দেয় আজকের এই একটি সঠিক সিদ্ধান্ত। NSEC-র ২৮ বছরের বিশ্বাস, ঐতিহ্য আর সাফল্যের যে মশাল আজ জ্বলজ্বল করছে, তার আলোয় আলোকিত হতে পারে আপনার সন্তানের স্বপ্নও।তাই আর দেরি কেন? সন্তানের সুরক্ষিত এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের লক্ষ্যে B.Tech অ্যাডমিশনের জন্য আজই যোগাযোগ করুন নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে।
বিস্তারিত জানতে সরাসরি ফোন করুনঃ 98318 17307অ্যাডমিশন ও অন্যান্য তথ্যের জন্য ভিজিট করুন অফিশিয়াল ওয়েবসাইটঃ www.nsec.ac.in
( এই প্রতিবেদনটি ‘নেতাজি সুভাষ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’—এর সঙ্গে AAJKAAL.IN ব্র্যান্ড স্টুডিয়ো দ্বারা যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত।)