তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বিধায়কদের মমতার ‘সোনার টুকরো ভাই’ বলে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি জানান, তৃণমূলের কোনও শিবিরেই কোনও ফারাক নেই। কাউন্সিলর হওয়ার যোগ্যতা নেই এমন লোকজনকে মমতা মন্ত্রী বানিয়েছিলেন। কংগ্রেসে থাকলে সারাজীবন অফিসে চা-জল দিতে হত, এমন ব্যক্তিকে বিধায়ক বানিয়েছিলেন। তাঁরাই এখন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন।
আজ শ্রীরামপুরে শমীক ভট্টাচার্য জানান, বাবর, আকবর, হুমায়ুন, জাহাঙ্গীর, ঔরঙ্গজেবদের সরকার আর নেই। রাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে, শাসকের আইন আর নেই। বারুইপুরের ঘটনায় রাজ্য সরকার তৎপরতার সঙ্গে যে কোনও ধরনের বিচ্যুতি ধরছে। অসামাজিক কাজ বন্ধ করার চেষ্টা করছে বিজেপি। সরকার গুন্ডা দমনে আইন নিয়ে এসেছে।
শীতলকুচিতে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়ের গাড়িতে ডিম হামলার তীব্র নিন্দা করেন শমীক। তিনি বলেন, ডিম ছোড়ার সংস্কৃতি পশ্চিমবঙ্গে নেই। সিপিআইএম এই জেলায় আমাদের অনেক কর্মীকে খুন করেছে। কিন্তু সিপিআইএমের কোনও নেতাকে ডিম ছোড়া অন্যায়, ঘৃণ্য কাজ। এদিন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের সঙ্গে অমিত শাহর বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি জানান, সুখেন্দুশেখরের রাজনৈতিক অবস্থান কারও অজানা নয়। তিনি অত্যন্ত বিচক্ষণ ব্যক্তি। এরকম একজন ব্যক্তি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে থাকলে তা আনন্দের বিষয় বলে মত শমীকের। এছাড়াও এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও কটাক্ষ করেন রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, “আগে আমরা ব্লাড স্যাম্পেল জানতাম, এখন শুনছি ভয়েস স্যাম্পেল। কাকুর গলার আওয়াজ নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। কাক কখন কোকিল, তোতাপাখি হয়ে যাবে, তা বলা যায় না। খুব জটিল বিষয়।”