আর সেই চিঠি পেতেই তড়িঘড়ি কলকাতায় ছুটলেন মেয়র বিধান উপাধ্যায়। তবে চাঞ্চল্যকর বিষয় হল, কলকাতায় পৌঁছে তিনি কালীঘাটের শরণাপন্ন না হয়ে সোজা হাজির হলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীতে। দুই অনুগামীকে নিয়ে ঋতব্রতর সঙ্গে মেয়রের সেই সাক্ষাতের ছবি ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে দলবদলের জল্পনা তীব্র হয়েছে।
ইতিমধ্যেই ৬ জন কাউন্সিলর ইস্তফা দেওয়ায় আসানসোল পুরবোর্ডে ভাঙন স্পষ্ট। এই আবহে ঋতব্রতকে বিধানসভার নিরিখে ‘বিরোধী দলনেতা’ হিসেবে মেনে নিয়ে মেয়রের মন্তব্য জল্পনার আগুনে ঘি ঢেলেছে। যদিও মেয়র ৬ পাতার চিঠিতে সরকারের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টে পুর কমিশনারের অসহযোগিতাকেই দায়ী করেছেন।
প্রসঙ্গত, পুজোর পরেই কলকাতা ও হাওড়া পুরসভার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করছে রাজ্য সরকারের। নভেম্বর মাসের মধ্যেই ভোট করানোর লক্ষ্যে চলছে প্রস্তুতি। বাকি সমস্ত পুরসভায় ভোট হতে পারে ২০২৭ সালে, কারণ এর আগে ভোট হয়েছে ২০২২ সালে, তবে রাজ্য সরকার চাইলে পুর ভোট এগিয়ে আনতে পারে। ২০২২ সালের পুরভোটে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখিয়েছিল তৃণমূল, সেই ভোটে খাতাই খুলতে পারেনি বিজেপি। তবে সেই সময় বিধানসভায় শূন্য থাকলেও তাহেরপুর পুরসভায় জিততে পেরেছিল বামেরা। বিধানসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝড়ের জেরে পুর ভোটেও বদলে যেতে পারে অনেক হিসাবনিকেশ।