• বহরমপুর স্টেডিয়াম সমাজবিরোধী মুক্ত করার দাবি
    বর্তমান | ০৮ জুলাই ২০২৬
  • সংবাদদাতা, বহরমপুর: অন্ধকার নামলেই বহরমপুর স্টেডিয়াম সমাজ বিরোধীদের মুক্তাঞ্চল হয়ে উঠছে। গভীর রাত পর্যন্ত মদ, গাঁজার আসর বসছে বলে অভিযোগ। স্টেডিয়ামে যত্রতত্র মদের বোতলের কাচের টুকরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে বহরমপুর কোর্ট স্টেশন যাওয়ার রাস্তা রয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত ট্রেনযাত্রীরা ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। রাতে স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে যেতে মহিলারা নিরাপত্তার অভাব অভাব বোধ করছেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন।

    বহরমপুর স্টেডিয়াম মাঠের ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে রয়েছে বহরমপুর থানা। মোহনা বাসস্ট্যান্ড থেকে বহরমপুর কোর্ট স্টেশন যেতে ট্রেন যাত্রীদের স্টেডিয়ামের পূর্বদিকের রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। ট্রেনযাত্রীরা ওই রাস্তা দিয়ে যেতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। শহরের এক ব্যবসায়ী বলেন, ব্যবসার কাজে প্রায়ই আমাকে রাত সাড়ে ১২টায় স্টেশনে নেমে বাড়ি ফিরতে হয়। ওই সময় রাস্তায় চলা লোকজনের অনেকের গতিবিধি বেশ সন্দেহজনক মনে হয়। নিরাপত্তার অভিযোগ তুলেছেন মহিলা যাত্রীরা। তাঁদের দাবি, রাতে বেশ কয়েকটি ট্রেন রয়েছে। ওই সময় স্টেডিয়াম সংলগ্ন রাস্তায় পুলিশ প্রহরা থাকলে ভালো হয়। পরিবহণ আইন না মানায় আটক বহু গাড়ি স্টেডিয়াম মাঠে রাখা হয়েছে। ওই গাড়িগুলির যন্ত্রাংশ চুরি যাচ্ছে।

    বিশাল আকারের স্টেডিয়াম মাঠ পাঁচিল দিয়ে ঘেরা রয়েছে। পাঁচিল ঘেরা মাঠের বেশকিছু অংশ দুর্বল রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সন্ধ্যা নামলেই অনেকজন স্টেডিয়াম মাঠে ঢোকে। গভীর রাত পর্যন্ত মদ, গাঁজার আসর চলে। স্টেডিয়াম সমাজবিরোধী মুক্ত করার দাবি তুলেছেন তাঁরা। জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল সম্পাদক নাজমে আলম বলেন, স্টেডিয়ামে আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরের দখল করে রাখা জায়গায় অসামাজিক কাজকর্ম বেশি চলে। এখন ছোটদের ফুটবল লিগ চলছে। কাচের ভাঙা টুকরোয় যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা সমাজবিরোধী দৌরাত্ম্য বন্ধের দাবি জানিয়েছি। 

     বহরমপুর স্টেডিয়াম-নিজস্ব চিত্র
  • Link to this news (বর্তমান)