বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু এক অভিযুক্তের৷ জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের নাম প্রভাস মণ্ডল৷ সূত্রের খবর, অপরাধস্থলের পুনর্গঠন করতে গিয়েই পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত৷
পুলিশের দাবি, সূর্যপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্রাইম সিন রিকনস্ট্রাকশন’-এর করার সময় অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেন। এরপর অভিযুক্ত পুলিশের দলকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি চালায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালানোর চেষ্টা করে বলেই জানা গিয়েছে সূত্র মারফত৷ পালানোর চেষ্টা করার সময়ই পুলিশের গুলিতে মৃত্যু অভিযুক্তের৷
নাবালিকা নির্যাতন- খুন কাণ্ডে গ্রেফতার আরও ১, গণপিটুনি-অশান্তিতে ধৃত ২০! শুভেন্দুর কথা মতোই বারুইপুরে কড়া পুলিশ
জানা গিয়েছে, বারুইপুরে ‘ক্রাইম সিন রিকনস্ট্রাকশন’-এর সময় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের৷ পুলিশ সূত্রে খবর গতকাল রাতে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলকে। পুলিশ সূত্রে দাবি, রাত প্রায় ১২:৪৫ নাগাদ সূর্যপুরে ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণ চলাকালীন এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে একটি গুলি চালায় অভিযুক্ত। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এরপর পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশের পাল্টা গুলিতে আহত হয় প্রভাস মণ্ডল। তাকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
প্রসঙ্গত, বারুইপুরে নাবালিকা খুনের ঘটনায় একটি ভিডিও আগেই ভাইরাল হয়৷ ভিডিওতে ধৃত প্রভাস মণ্ডলকে বলতে শোনা গিয়েছে, “মেয়েটি চিৎকার করছিল। ওর গলায় পা তুলে ধরে তারপর টেনে নিয়ে বাগানের মধ্যে চলে যায় আনন্দ ও তার তিন বন্ধু।” যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি News18 Bangla ৷ প্রসঙ্গত, বারুইপুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া প্রভাস মণ্ডল ও দিবাকর সর্দারকে মঙ্গলবার বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয়৷ দুই অভিযুক্তকে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাসের বয়ান ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। সেখানেই নাবালিকার গলায় ‘পা’ দেওয়ার কথা বলতে শোনা গিয়েছে তাকে৷ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছেন প্রভাস মণ্ডল, দিবাকর ও মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার।