• নাবালিকার দেহ কোথায়, দেখিয়ে দিয়েছিল প্রভাস! প্রথম গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তই পুলিশের গুলিতে খতম
    News18 বাংলা | ০৮ জুলাই ২০২৬
  • গত রবিবার সকালে যখন তন্নতন্ন করে বারুইপুরের সূর্যপুরের ১১ বছরের নিখোঁজ নাবালিকার খোঁজ করছেন এলাকাবাসী, তখন প্রথম তাঁদের হাতে ধরা পড়েছিল প্রভাস মণ্ডল৷ সিসিটিভি-তেও নাবালিকার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল এই প্রভাসকেই৷ এলাকার একটি পুকুরে নেমে প্রভাসই দেখিয়ে দেয়, কোথায় ফেলা হয়েছিল নাবালিকার দেহ৷

    নির্যাতিতা সেই কিশোরীর দেহ উদ্ধারের পর প্রভাসকে গণধোলাইও দেওয়া হয়৷ মৃত্যুর আগে অন্যতম মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার কীভাবে ওই নাবালিকার উপরে অত্যাচার চালিয়েছিল, ভাইরাল হওয়া ভিডিও-তে প্রভাসকে সেই বর্ণনাও দিতে শোনা যায়৷ প্রভাসের দাবি ছিল, নাবালিকা চিৎকার করায় তার গলার উপরে পা তুলে দিয়েছিল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার৷ প্রভাস অবশ্য দাবি করেছিল, ওই নাবালিকাকে বুঝিয়ে তাদের কাছে নিয়ে আসার জন্য তাকে ১০ হাজার টাকার টোপ দিয়েছিল বাকি অভিযুক্তরা৷ প্রভাসের কথা অনুযায়ী, সে শুধু নাবালিকাকে আনন্দ সর্দারদের কাছে পৌঁছে দিয়েছিল৷ নির্যাতনের সময় সে ছিল না৷

    বারুইপুরে নাবালিকা নির্যাতন এবং খুনের ঘটনায় অন্যতম প্রধান সাক্ষীও ছিল প্রভাস৷ গতকাল মাঝরাতের পর বারুইপুর থানার পুলিশের একটি দল প্রভাসকে নিয়ে সূর্যপুরের সেই ঘটনাস্থলে৷ জনমানববিহীন যে জায়গায় নাবালিকার উপরে নির্যাতন চালানো হয়েছিল, সেখানেই পুনর্নির্মানের জন্য প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তদন্তকারীরা ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন বলে দাবি পুলিশের৷

    পুলিশ সূত্রের দাবি, ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পর এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে তাঁকে লক্ষ্য করেই পাল্টা গুলি করার চেষ্টা করে প্রভাস৷ এক রাউন্ড গুলিও ছোড়ে সে৷

    এর পর পাল্টা পুলিশও আত্মরক্ষায় গুলি চালায়৷ সেই গুলিতে আহত হয় প্রভাস মণ্ডল৷ সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ৷ সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷
  • Link to this news (News18 বাংলা)