• রথযাত্রায় বড় স্বীকৃতি বীরভূমের তারাপীঠকে, ৫ লক্ষ টাকার অনুদান ও ঐতিহ্য সম্মান ঘোষণা রাজ্যের
    News18 বাংলা | ০৯ জুলাই ২০২৬
  • কয়েকদিন আগে রথযাত্রা উপলক্ষে বড় ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। একাধিক প্রাচীন রথযাত্রার আয়োজকদের অনুদান দেওয়া হবে এ বার। বাছাই করা কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। আগামী ১৩ জুলাই কমিটিগুলিকে চেক তুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে রথযাত্রা উপলক্ষে প্রতিটি জেলায় ‘সেবা শিবির’ করা হবে। সেবা শিবির পরিচালনার জন্য প্রতিটি জেলায় ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হয়েছে।

    বাঙালিরা বিশ্বাস করেন রথের দড়িতে দান দিলে দুর্গা আসে। তাই রথ মানেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের দিন গোনা শুরু। আর রাজ্য পালাবদলের পরে রাজ্যের প্রাচীন, ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলির দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। কমিটিগুলি যাতে সুন্দর ভাবে এই উৎসব পরিচালনা করতে পারে, সেটাই লক্ষ্য সরকারের। আর সেই মতো এবার বীরভূম জেলার তারাপীঠ রথযাত্রা পেল রাজ্যের ঐতিহ্য সম্মান। জানা গিয়েছে, বীরভূম জেলায় শুধুমাত্র তারাপীঠের রথযাত্রা এই সম্মান পেয়েছে।

    কারণ আর পাঁচটা রথের থেকে তারাপীঠ এর রথযাত্রার মাহাত্ম্য আলাদা, অন্য জায়গায় রথে জগন্নাথ, বলরাম, সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে পুজো করা হলেও তারাপীঠে মা তারাকে রথে চাপিয়ে গোটা তারাপীঠ পরিক্রমা করা হয়। কারণ মনে করা হয় সব দেবদেবীর উর্ধ্বে স্বয়ং মা তারা। আর সেজন্যই রথযাত্রার প্রথম দিন এবং উল্টো রথযাত্রার দিন মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে গোটা তারাপীঠ পরিক্রমা করানো হয়।

    প্রসঙ্গত, তারাপীঠের রথযাত্রা ঠিক কবে শুরু হয়েছিল তার দিনক্ষণ কেউই সঠিক জানেন না। তবে মন্দিরের প্রবীণ সেবায়েত সাহিত্যিক প্রবোধ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বইয়ে উল্লেখ রয়েছে, তারাপীঠের বিখ্যাত সাধক দ্বিতীয় আনন্দনাথ তারাপীঠে রথের প্রচলন করেছিলেন। সেই সময় মা তারার জন্য তৈরি করা হয়েছিল একটি পিতলের রথ। সেই রথেই আজও মা তারা গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে তারাপীঠে ঘোরেন। মা তারার রথ রাখার জন্য ঘরও তৈরি করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে,ওই রথ ঘরের উদ্বোধন করেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অজয় মুখোপাধ্যায়।
  • Link to this news (News18 বাংলা)