পুলিশি হস্তক্ষেপে দখলমুক্ত অনুব্রতর কার্যালয়, তৃণমূল নেতা বললেন…
প্রতিদিন | ০৯ জুলাই ২০২৬
পুলিশি হস্তক্ষেপে অবশেষে দখলমুক্ত অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) দলীয় কার্যালয়। মঙ্গলবার বিজেপির যুব সংগঠনের সদস্যরা ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দারা বোলপুর পুরসভার দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন। মধ্যরাতে খুলে দেওয়া হয় অনুব্রতর তৃণমূলের জেলা কার্যালয়। এরপর ই-মেল মারফত বীরভূম জেলা পুলিশ সুপারকে অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশি হস্তক্ষেপে কার্যালয়ের চাবি ফেরত পান তৃণমূল কর্মীরা। বুধবার সকাল থেকেই গুটিকয় কর্মী-সমর্থক উপস্থিত হন কার্যালয়ে। বিকেলে অনুব্রত মণ্ডলও সেখানে যান। তিনি বলেন, “বোলপুরে দলীয় কার্যালয় মন্দিরের মতো। এর বেশি কিছু বলতে চাই না।”
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই বোলপুরে তৃণমূলের এই কার্যালয় রয়েছে। তবে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এই কার্যালয়কে ঢেলে সাজানো হয়। এটি মূলত অনুব্রত মণ্ডলের কার্যালয় হিসাবেই পরিচিত। এই কার্যালয় থেকেই একসময় বীরভূম জেলা পরিচালনা করতেন বোলপুরের ‘কেষ্ট’। আর এই কার্যালয় থেকেই কে কোন থানার ওসি হবেন, কোন ঠিকাদার কীসের টেন্ডার পাবেন নিদান দিতেন অনুব্রত। এমনকি, প্রশাসনিক কাজেও বকলমে নির্দেশ দেওয়া হত। রাজ্যে পালাবদলের পর সেসব অতীত। তবে বিজেপির যুব সদস্যদের দাবি, বোলপুর শহরে ২২টি ওয়ার্ডে নাগরিক পরিষেবা মিলছে না।
দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। কাউন্সিলরদের কাউকেই দেখা যাচ্ছে না। আর এখনও বোলপুরের তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকেই পরিষেবা না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে তৃণমূলের কাউন্সিলরদের। তাই ক্ষিপ্ত হয়ে বিজেপির যুব সদস্যরা ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দারা তালা বন্ধ করেন বোলপুরে তৃণমূলের কার্যালয়ে। তবে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে তালা বন্ধ এবং মধ্যরাতে বোলপুরের মহকুমা শাসক অর্পিত আর পারেখের নির্দেশে তৃণমূল কর্মীদের ডেকে কার্যালয়ের চাবি ফিরিয়ে দেয় পুলিশ বলেই জানা যায়। ফের সচল হয় অনুব্রত মণ্ডলের বোলপুরের তৃণমূল কার্যালয়। তবে এ বিষয়ে বোলপুরের সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডল কোনও মন্তব্য করতে চাননি।