• কোথায় হতে পারে ২১ জুলাই পালন? বিকল্প জায়গা জানাতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে ঋতব্রত শিবির
    প্রতিদিন | ০৯ জুলাই ২০২৬
  • ধর্মতলায় একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান নিয়ে চলছে জোর চাপানউতোর। কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের ‘আসল’ তৃণমূলের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ। বিকল্প জায়গার কথা জানাতে বুধবার রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তার সঙ্গে দেখা করলেন ঋতব্রতপন্থীরা। বিকল্প হিসাবে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে সভা করার অনুমতি চাইলেন তাঁরা। এদিকে, কালীঘাটপন্থী তৃণমূলীরা সম্ভবত আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন।

    ২১ জুলাই দিনটি তৃণমূল কংগ্রেস বরাবর মেগা ইভেন্ট হিসেবে পালন করে থাকে। ১৯৯৩ সালের তখনকার যুব কংগ্রেস কর্মীদের মহাকরণ অভিযানে তৎকালীন সরকারপক্ষের গুলিচালনায় ১৩ জনের নির্মম মৃত্যুর ঘটনাকে স্মরণে রেখে এই কর্মসূচি করে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ঘটনাস্থল ওই জায়গা বলে সেখানেই শহিদ দিবস উদযাপন করা হয়। কিন্তু এবছর ব্যতিক্রম হতে চলেছে। কারণ, ছাব্বিশে ভরাডুবির পর দুই শিবিরে বিভক্ত ঘাসফুল শিবিরে রাজনৈতিক জটিলতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। দলের প্রতীক, তহবিল নিয়ে চলছে টানাপোড়েন।

    এবার কালীঘাট তৃণমূলের কাছে চ্যালেঞ্জটা অন্যরকমের। এতদিন যে অঙ্কে অন্য দল থেকে একুশের মঞ্চে বড় বড় নেতাদের যোগদান করানো হত, এখন সেই অস্ত্রেই বিদ্ধ কালীঘাট। দলে ভাঙন এমন পর্যায়ে যে প্রতীক টিকিয়ে রাখাই কাল। বেশিরভাগ সাংসদ-বিধায়ক এখন বিদ্রোহী। অন্তত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব মাননে নারাজ। এই মুহূর্তে তৃণমূলের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দলত্যাগী ও বিদ্রোহীদের মোকাবিলা। তাই দলের যে সব নেতাকর্মীরা দুর্দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ছিলেন, বা এখনও আছেন অথচ হয়তো সঠিক সম্মান পাননি বা কাজ করার সুযোগ পাননি, তাঁদের এবারের একুশের সমাবেশে এনে সংগঠনের বাঁধুনি শক্ত করতে চাইছে তৃণমূল। তবে সভা কোথায় তা এখনও অনিশ্চিত।
  • Link to this news (প্রতিদিন)