• মরক্কো ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ফ্রান্সের, চিন্তা বাড়ল এমবাপে-দেশঁর
    এই সময় | ০৮ জুলাই ২০২৬
  • চলতি বিশ্বকাপে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে ফ্রান্স ফুটবল টিম। খেতাবের অন্যতম দাবিদার হিসেবে ধরা হচ্ছে তাঁদের। শুক্রবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে লড়াইটা সহজ হবে না ফ্রান্সের। একাধিক বড় দলকে আটকে দেওয়া এবং ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে পরিচিত মরক্কোর বিরুদ্ধে খেলতে হবে কিলিয়ান এমবাপে-ওউসমানে দেম্বেলেদের। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচের অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা। তবে এই ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা খেল ফ্রান্স। ফরাসি দলের অন্যতম ভরসা এবং তারকা ফুটবলার মাইকেল ওলিসের (Michael Olise) হলুদ কার্ড বাতিলের আবেদন খারিজ করে নিয়েছে ফিফা। বুধবার এই খবর নিশ্চিত করেছেন ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ের দেশঁ (Didier Deschamps)।

    ফিফার কাছে আবেদনেও স্বস্তি পেল না ফ্রান্স

    প্যারাগুয়ের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচের মাতিয়াস গালার্জ়ার সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন ওলিসে। যদিও টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায়, দুই ফুটবলারের মধ্যে খুব সামান্যই সংস্পর্শ হয়েছিল। ওলিসে মুখের সামনে আঙুল রাখার ইঙ্গিত করেছিলেন। কিন্তু গালার্জ়া মাটিতে পড়ে গিয়ে দাবি করেন, তাঁর মুখে আঘাত করা হয়েছে। তাই এই হলুদ কার্ডের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার জন্য ফিফার কাছে আবেদন জানায় ফ্রান্স। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেয় ফিফা।

    সম্প্রতি আমেরিকার ফুটবলার ফোলারিন বালোগানের এক ম্যাচ সাসপেনশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেয় ফিফা। ফলে শেষ ষোলোর ম্যাচে বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে খেলতে পেরেছিলেন তিনি। যা নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। কিন্তু ফ্রান্সের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত বদলায়নি FIFA। এই নিয়ে মরক্কোর বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালের আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে দেশঁ বলেন, ‘হলুদ কার্ডের সিদ্ধান্ত বদলায়নি। বুধবার সকালে ফিফা আমাদের জানিয়েছে যে কার্ড জারি রাখা হয়েছে।’

    কেন চিন্তায় ফ্রান্স?

    ফিফার এই সিদ্ধান্তের ফলে বাড়তি ঝুঁকি নিয়ে নামতে হবে ফ্রান্সকে। মরক্কোর বিরুদ্ধে ম্যাচে যদি ওলিসে আর একটি হলুদ কার্ড দেখেন, তা হলে পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না তিনি। সে ক্ষেত্রে ফ্রান্স সেমি ফাইনালে (স্পেন বা বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে) উঠলে ওলিসেকে ছাড়াই নামতে হবে তাঁদের।

    আর শুধু ওলিসে নন, ব্র্যাডলে বার্কোলা ও মানু কোনেও একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। তবে মরক্কোর বিরুদ্ধে ম্যাচে চোট সারিয়ে ফিরতে পারেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার অরিয়েল চুয়ামেনি।
  • Link to this news (এই সময়)