সংবাদদাতা,রানাঘাট: সরকার বরাদ্দ না বাড়ালেও, শিশু ও প্রসূতি মায়েদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে এক অভিনব ও দায়িত্বশীল পথ বেছে নিলেন শান্তিপুরের অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা। তাঁরা নিজেরাই বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এখন থেকে সপ্তাহে একদিন শিশু ও প্রসূতি মায়েদের দেওয়া হবে গোটা ডিম ও ভাত। আর সপ্তাহে বাকি পাঁচ দিনের মধ্যে দু’ দিনদেওয়া হবে অর্ধেক ডিমও ভাত এবং বাকি তিন দিনঅর্ধেক ডিম ও খিচুড়ি। এই দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকেই শান্তিপুরের বিভিন্ন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে এই নতুন নিয়ম চালু হয়েছে।
আইসিডিএস কর্মীদের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও অভিভাবকরা। কোনোজোরজুলুম নয়, বরং কর্মীদের তরফ থেকে প্রতিটি কেন্দ্রের অভিভাবকদের ডেকে এই নতুন রুটিন বা ব্যবস্থার কথা বুঝিয়ে বলা হচ্ছে। তাঁদের মতামত নিয়ে রেজুলেশন কপিতে সইওকরিয়ে নিচ্ছেন কর্মীরা। একদিকে ডিমের পুষ্টি বজায় থাকছে, অন্যদিকে সরকারি কম বরাদ্দের মধ্যেও রুটিন সামলানো যাচ্ছে। এই দ্বিমুখী সুবিধায় খুশি অভিভাবক থেকে শুরু করে কচিকাঁচারাও।
এই বিষয়ে শান্তিপুরেরএক আইসিডিএস কর্মীশম্পা মাহাতো জানান, ‘সরকার বরাদ্দ না বাড়ালেও আমরা প্রসূতি মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যেরকথা চিন্তা করে, তাদের পুষ্টিগুণের কথা মাথায় রেখেই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে, এই নতুন রুটিনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।অভিভাবকরাও আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।আগামী দিনে সরকার যদি তাদের ন্যায্য দাবিদাওয়া মেনে বরাদ্দ বৃদ্ধি না করে, তবে আগামী দিনে আমরা আবারও আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হব।’